Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:২৬ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

খন্দকার মোশাররফ হোসেন
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফাইল ফটো

বিএনপি স্বেচ্ছায় ‘মুসলিম লীগ’ হলে কিভাবে ঠেকাব?

বিএনপি নিজেদের পরিণতি মুসলিম লীগের মতো করতে চাইলে তা ঠেকানোর কোনো উপায় দেখছেন না আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের নতুন সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

নতুন পদ পাওয়ার পরদিন হেয়ার রোডে নিজ বাসভবনে গণমাধ্যম কর্মীদের এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের নতুন সদস্য মনোনীত হয়েছেন।

খন্দকার মোশাররফ গণমাধ্যম কর্মীদের আরো বলেন, ‘আমি কখনো পদের আশা করিনি, তবে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা যে ভরসা করে আমাকে নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি তা পালনের চেষ্টা করবো’।

বিএনপি যদি এবারও ভোট বর্জন করে তাহলে সরকার কী করবে- এমন প্রশ্নের জবাব দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের নতুন সদস্য। তিনি বলেন, ‘বিএনপি ৫০টা দলের মধ্যে একটা দল। এমন না যেন ব্রিটেনের মতো তিনটা দল। লেবার, ডেমোক্রেটিক আর রিপাবলিকান। বাংলাদেশে তো রাজনৈতিক দৈন্যতা নেই। দলের তো আমরা পাঁচজন মিলে একটা দল করে ফেলতে পারি। বাংলাদেশের জনগণের সেই যোগ্যতা আছে। ৫০ দলের মধ্যে একটা দল যদি না আসে তারা যদি স্বেচ্ছায় মুসলিম লীগ হতে চায়, আমরা কিভাবে ঠেকাব? আমরা কি ঠেকাতে পারব? আমরা তাদের বলবো যে, আমরা এখানে কনটেস্ট করবো না, আপনারা আসুন?’

‘উনারা চান যে, উনাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়া হোক। রাজনীতিতে আমরা তো রাস্তায় ছিলাম। উনারা কি ভুলে গেছেন, আমরা যখন বিরোধীদলে ছিলাম তখন তো পাড়ায় একটা মিছিলও করতে পারিনি?’

২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার কথাও তুলে ধরেন খন্দকার মোশাররফ। তিনি বলেন, একুশে আগস্ট নেত্রীর ওপর হামলা হয়েছে। আমরা মিটিং করতে পারিনি। রাস্তায় বের হতে পারিনি।

আমরা যদি ওই পরিবেশ পরিস্থিতিতে জনমত সৃষ্টি করে সাধারণ জনগণের ভোটে জিততে পারি তাহলে উনারা পারবেন না কেন- এই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এখন বিএনপি নালিশ পার্টি হয়ে গেলে তো মুসিবত। আমরা যা করবো, সেটাই উনাদের অসুবিধা। সুবিধা করে পৃথিবীর কোনো সরকার কি বিরোধী দলের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে? তাহলে উনারা এটা কিভাবে চান?’

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খুনি, আসামিদের দিয়ে যদি কেউ নির্বাচন করায় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়, তাহলে তো সেখানে পুলিশ ব্যবস্থা নেবেই। গ্রেফতারের কথা বলে পরিবেশ ঘোলা করার চেষ্টা করলে কোনো লাভ হবে না।

তিনি নিজের পেশাগত অভিজ্ঞতাও তুলে ধরে বলেন, ‘আমি তো শুধু বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করেছি তা নয়। জাতিসংঘেও আমি কাজ করেছি। তখন ৩০/৪০টা দেশে রুরাল ডেভেলপমেন্ট নিয়ে তাদের এডভাইস করেছি। সেই সুবাদে বিভিন্ন রাষ্ট্রনায়কের সঙ্গে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিট করার মতো রাষ্ট্রনায়ক আমার চোখে পড়েনি।’