ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:৪১ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

বিএনপি রাজাকার -প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,  বিএনপি রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিলেন। যুদ্ধাপরাধের দায়ে আজ যাদের শাস্তি হয়েছে, তাদের হাতেই খালেদা জিয়া মন্ত্রিত্ব তুলে দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি লাখো শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করেছেন। তাই তিনি দেশের শত্রু। জনগণের শত্রু। শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করার জন্য একদিন জনগণের আদালতে তার বিচার হবে।শনিবার বিকেল সোয়া ৩টায় হবিগঞ্জের নিউ ফিল্ড মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির দুই গুণ, সন্ত্রাস ও মানুষ খুন। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকলে দেশেল মানুষ অশান্তিতে থাকে। জনগণ অর্থ উপার্জন করে, আর বিএনপি সেই টাকা পাচার করে দেয়। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে কোনো কাজ করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ যে কাজ রেখে গিয়েছিল, তা বিএনপি শেষ করতে পারেনি। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সেগুলো সম্পূর্ণ করছে।

প্রধানমন্ত্রী  বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নে কাজ করে , বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছিলাম। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে এখন ডিজিটাল তথ্য কেন্দ্র রয়েছে। সকল ক্ষেত্রেই যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হয়েছে। দেশে যেন কোনো যুবক বেকার না থাকে সে ব্যবস্থাও করছে সরকার।  বিএনপি দুর্নীতি আর মানুষ খুন ছাড়া কিছুই দিতে পারে নি। তারা দেশে অশান্তি নিয়ে এসেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার মানুষকে শান্তিতে রেখেছে। বিএনপি-জামাত জোট আসলে দেশে নাকি উন্নয়নের জোয়ার হয়। কিন্তু উন্নয়নের জোয়ার নয় আসলে ভাটা হয়। উন্নয়ন হয় শুধুমাত্র বোমা হামলা ও সন্ত্রাসবাদের। বিএনপি ক্ষমতায় শুধু আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এ সময় হবিগঞ্জে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করারও ঘোষণা দেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসে হবিগঞ্জে নির্যাতন চালিয়েছিল। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করেছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষের মনে শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছিল। হবিগঞ্জের যোগাযোগ খারাপ ছিল। আওয়ামী লীগ সরকার এসে এখানকার সার্বিক উন্নয়ন করেছেন। নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য এখানকার বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানাই।

Like & share করে অন্যকে দেখার সুযোগ দিন