Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:০৬ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

মাহবুব-উল আলম হানিফ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ফাইল ফটো

বিএনপি ভারত বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে ফায়দা পাবেনা : হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপি অতীতের মত ভারত বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে কোন ফায়দা হাসিল করতে পারবে না। ‘ তারা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করলে যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। পাকিস্তানের পার্লামেন্টে যে যুদ্ধাপরাধীদের তাদের সৈনিক হিসেবে দাবি করেছে সেই যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে তারা কোন কিছু করতে বাকী রাখেনি।’

মাহবুব-উল-আলম হানিফ আজ দুপুরে রাজধানীর রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আগামী ৬ এপ্রিল ঐতিহাসিক সোহরাওয়াদী উদ্যানে ওলামা-মাশায়েখ জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র কা’বা শরীফ ও মদিনার মসজিদে নববীর খতিবদ্বয় উপস্থিত থাকবেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহে আলম মুরাদ।

মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, বিএনপি পরিকল্পিতভাবে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য সরকারের জঙ্গী বিরোধী অভিযানের সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকে সম্পর্কিত করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দু’টি দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে যে কোন চুক্তি হতেই পারে। এ চুক্তির সাথে সরকারের জঙ্গী বিরোধী অভিযানের কোন সম্পর্ক নেই। এর আগেও আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে বন্ধুপ্রতীম প্রতিবেশী ভারতের সাথে একাধিক চুক্তি হয়েছে। কিন্তু কোন চুক্তির ফলেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর কোন আঘাত আসেনি।

ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দেশের সকল তথ্য ভারতের কাছে চলে যাবে বিএনপির এমন দাবির জবাবে হানিফ বলেন, ‘তারা (বিএনপি) ২০০৪ সালে চীনের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। তাহলে আমরা কি বলব, চীনের কাছে আমাদের দেশের সকল তথ্য চলে গিয়েছিল।’ বিএনপির নেতাদের উদেশ্যে তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে কোন বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেবেন না।

সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও তার অধীন বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ উপস্থিত ছিলেন।