ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৪৮ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ড. হাছান মাহমুদ
ড. হাছান মাহমুদ, ফাইল ফটো

‘বিএনপি বিশ্ব স্বীকৃত একটি সন্ত্রাসী সংগঠন’ – ড. হাছান

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ নলেছেন, বিএনপি যে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন তা আজ বিশ্ব স্বীকৃতি পেয়েছে।

তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

বিএনপির প্রতি আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা দুর্নীতির পাহাড়ের ওপর বসে মিথ্যাচার বন্ধ করে সন্ত্রাসী ও জালিয়াত সংগঠনের তকমা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন।’

বিএনপিকে একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কালো টাকা সাদা করেছেন। শুধু তিনিই নন, বিএনপি’র তৎকালীন অর্থমন্ত্রী প্রয়াত সাইফুর রহমানও কালো টাকা সাদা করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘যে সরকারের অর্থমন্ত্রী কালো টাকা সাদা করেন, যে দলের চেয়ারপার্সন কালো টাকা সাদা করেন, যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য কালো টাকা সাদা করেন, যে দলের চেয়ারপার্সন এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেন সেই দলের নেতারা যখন দুর্নীতির বিষয়ে কথা বলেন তখন মানুষের হাসি পায়।’

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, বিএনপি শুধু যে দুর্নীতিগ্রস্ত তা নয়, বিএনপি যে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন তা আজ বিশ্ব স্বীকৃতি পেয়েছে। কানাডার একটি আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন অভিহিত করে রায় দেন।

তিনি বলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির এক নেতা সেদেশের ফেডারেল কোর্টে আপিল করেন, সেই ফেডারেল কোর্টেও বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখে। বিএনপি যে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন তা কানাডার আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

বিএনপিকে একটি জালিয়াত সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যানদের স্বাক্ষর জাল করে বিএনপির পক্ষে বিবৃতি দেয়া বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টাকে জালিয়াতির দায়ে গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত চার মাসের কারাদ- প্রদান করেছে। কাজেই বিএনপি যে একটি সন্ত্রাসী ও জালিয়াত সংগঠন তা আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত।

তিনি বলেন, বিএনপি’র রাজনীতি হচ্ছে মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত রাজনীতি। মিথ্যাচার করা ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অভিযুক্ত করাই হচ্ছে বিএনপি’র রাজনীতির আদর্শ।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুন অর রশিদ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, মারুফা আক্তার পপি, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং।