বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক

বিএনপি প্রার্থী আশফাককে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাকের মিছিলে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ সময় প্রার্থী আবু আশফাকসহ অন্তত ১০জন নেতাকর্মীকে
থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। আহত হয় অন্তত ২৫ নেতাকর্মী।

বুধবার বিকালে দোহারের লটাখোলা করম আলী মোড় থেকে ধানের শীষের প্রতীকের মিছিল বের হলে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বুধবার বিকালে দোহার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। প্রচারণাকে কেন্দ্র করে উপজেলার লটাখোলা করম আলীর মোড়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে সমেবত হয় নেতাকর্মীরা। পরে করম আলীর মোড় থেকে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি মিছিল বের হয়ে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারসহ প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।

মিছিলের শেষ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এ সময় পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে লটাখোলা করম আলীর মোড় থেকে পুলিশ বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাককে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মেছেরসহ অন্তত ১০ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। তবে বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, অন্তত ৩০/৩৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান, বিএনপির প্রার্থী আবু আশফাককে আটক করা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, ছেড়ে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছে।

এ বিষয়ে আবু আশফাকের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে, তার সঙ্গে কথা বলতে দেয়নি পুলিশ।

এদিকে, এ ঘটনার পরপর বুধবার সন্ধ্যার দিকে নৌকার প্রার্থী সালমান এফ রহমানের পক্ষে মিছিল বের করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা দাবি করেন, লটাখোলা করম আলী মোড়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা নৌকার প্রার্থীর পক্ষে থাকা দুটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।