ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৩০ ঢাকা, রবিবার  ১৯শে আগস্ট ২০১৮ ইং

বিএনপি নেতা গয়েশ্বর জামিনে মুক্ত

জামিনে মুক্তি পেয়েছেনবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। মিরপুর ও পল্লবী থানায় নাশকতার পাঁচ মামলায় হাইকোর্টের দেয়া জামিন আপিল বিভাগ বহাল রাখায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-১ থেকে তিনি মুক্তি পান।

বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের জামিনে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই কারাগারের জেলার ফরিদুর রহমান রুবেল।
কারাগার সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের জামিন সংক্রান্ত কাগজ-পত্র কারাগারে আসে। পরে যাচাই-বাছাইশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৫মিনিটে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। তিনি ভাংচুর-মারামারির একাধিক মামলায় গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর গ্রেফতার হন। পরে তাকে পুলিশী রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে এ বছরের ২ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ স্থানান্তর করা হয়।
গত ২৫ জুন এ মামলায় গয়েশ্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করে। শুনানি শেষে ৯ জুলাই আপিল বিভাগ ‘নো অর্ডার’ বলেছেন। এর ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে।
২৬ ডিসেম্বর সকালে রাজধানীর সিদ্বেশ্বরীর একটি বাসা থেকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাকে আটকের দুই দিন আগে বিএনিপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিশেষ আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বকশিবাজারে বিএনপি ও ছাত্রলীগের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছবি বিশ্বাসের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের করা ছবি বিশ্বাসকে হত্যা চেষ্টা মামলায় গয়েশ্বরকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
এরপর চলতি বছরের শুরুর দিকে হলতাল-অবরোধে কাঁটাতার বিছানোর একটি মামলায় তাকে পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। তবে হাইকোর্টে তিনি জামিন পান। আপিল বিভাগও সেই জামিন বহাল রাখে।
কারা সূত্র জানায়, এ কারাগারে ১০ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, একই মামলার আসামি ডিজিএফআই’র সাবেক কর্মকর্তা উয়িং কমান্ডার মো. সাহাব উদ্দিন, জামায়াত নেতা দেলওয়ার হোসেন সাঈদী, বিএিনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, নারায়নগঞ্জের সেভেন মার্ডার মামলার আসামি লে. কমান্ডার এম মাসুদ রানা, মেজর আরিফ, তথ্য প্রযুক্তি মামলায় গ্রেফতার মেজর মুকিতসহ হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় গ্রেফতার আরো দুই কর্মকর্তা এ কারাগারে বন্দি রয়েছেন।