মাহবুব-উল-আলম হানিফ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি, ফাইল ফটো

‘বিএনপি নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে নীল নকশা পাকাচ্ছেন কিনা ভেবে দেখা প্রয়োজন’

পৌর নির্বাচনে বিএনপির দূরভিসন্ধি থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি।
তিনি বলেন, বিএনপি কোনো দূরবিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য নিয়ে পৌর নির্বাচনে এসেছে কি-না এটা জাতির কাছে পরিস্কার নয়।
বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির সাম্প্রতিক কথা-বার্তা নিয়ে জাতির সন্দেহ হয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য তারা নতুন কোনো নীল নকশা পাকাচ্ছেন কিনা তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।
আওয়ামী লীগ জঙ্গীবাদ সৃষ্টি- করেছে খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের জবাবে হানিফ বলেন, খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন বাংলা ভাইয়ের উত্থান, ৬৩ জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলা, সিলেটের শাহজালাল (রা) মাজারে বোমা হামলা, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার কথা মানুষ এখনো ভুলে নাই। তার সরকারের ছত্রছায়ায় ও পৃষ্টপোষকতায় এসব হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া নিজেই জঙ্গীবাদ সৃষ্টি ও সন্ত্রাসের মদদ দিয়েছেন, এটা দিবালোকের মত পরিস্কার।
বক্তব্যে র‌্যাবের মহাপরিচালকে নিয়ে খালেদা জিয়ার কুটুক্তির সমালোচনা করেন হানিফ। তিনি বলেন, সরাসরি নাম ধরে একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা কেন এ ধরনের আক্রমনাত্বক কথা বলেছেন? তা আমাদের বোধগম্য নয়।
হানিফ বলেন, র‌্যাব তৈরী করে খালেদা জিয়া ফাঁদে পরেছেন। ২০০৪ সালে একটি সুর্নিদ্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আপনি র‌্যাব গঠন করেছিলেন। তখন আপনার সরকারের একটাই লক্ষ্য ছিল, সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা, নির্মূল করা।
সেনাবাহিনী নিয়ে খালেদা জিয়ার মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে হানিফ বলেন, স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা করে জাতিসংঘ মিশনে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আর সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়ে খালেদা জিয়া তাদের সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রান বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ডাবলু, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।