Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:৩৭ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

বিএনপি-জামায়াত গুপ্তহত্যায়, ‘প্রমান মাদারীপুরে ধৃত যুবকটি ‘শিবির কর্মী’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন,  মাদারীপুরের ঘটনায় যে ধরা পড়েছে সে শিবির কর্মী। তার পিতা কয়েকদিন আগে, তাকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে থানায় একটি জিডি করেছিলেন। সেই ঘাতকটি কলেজের ছাত্র হয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়ে একটি অ্যাসাইনমেন্টে গিয়েছিল মাদারীপুরে যেখানে একজন ধরা পড়েছে আর দুইজনও ধরা পড়বে। এতে প্রমাণ হচ্ছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট গুপ্তহত্যায় লিপ্ত হচ্ছে।

তিনি বল্রন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত গুপ্তহত্যায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্রত্যক্ষভাবে মদদ দিচ্ছেন।

আজ বৃহষ্পতিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত এক যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি-জামায়াত জোটের গুপ্ত হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ১৪ দল ঘোষিত মানবন্ধন কর্মসূচি সফল করার লক্ষে বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী ১৯ জুন রাজধানীর গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত বিকেল ৩ টা থেকে ৪ পর্যন্ত এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।

বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ইফতার মুখে নিয়ে তিনি কিভাবে মিথ্যাচার করছেন তা আপনারা দেখছেন। তিনি কিভাবে অশ্রাব্য ভাষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আক্রমণ করছেন। খুন করে যারা ধরা পড়ছেন, তাদের পরিচয় মানুষ এখন পাচ্ছে। আর উনি বলছেন আওয়ামী লীগই খুন করছে। তিনি ননইস্যুকে ইস্যু বানানোর চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আমেরিকার ফ্লোরিডায় হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করছেন, কিন্তু বাংলাদেশে এতগুলো খুন হল কিন্তু একবারও নিন্দা করলেন না। বরং আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ দিচ্ছেন। এ হল খালেদা জিয়ার রাজনীতি। এতে প্রমাণ হচ্ছে এতদিন তিনি পরোক্ষভাবে গুপ্তহত্যাকারীদের সমর্থন দিয়ে এখন প্রত্যক্ষভাবে আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

গুপ্তহত্যার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানুষ জেগে উঠেছে। বুধবার মাদারীপুরে একজন শিক্ষকে হত্যা করার জন্য হামলা চালানো হয়েছিল। কিন্তু একজন মহিলা সাহস করে মানুষকে জড়ো করেছিলেন। এরপর এলাকার জনগণ তাড়া করে একজন ঘাতককে হাতেনাতে ধরেছে। এটি উৎসাহব্যঞ্জক এবং সাহসী পদক্ষেপ।

যৌথসভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন ও এসএম কামাল হোসেন, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য হারুন অর রশিদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেড়ারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুল আলম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ড. শাহাদাৎ হোসেন, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।