ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৫৮ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

খালেদা জিয়া
বৈঠক বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সভাপতিত্ব করেন।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির নিকট নাম প্রস্তাব করা বা না করা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এ বৈঠক আহ্বান করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আজ রাতের বৈঠক গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সার্চ কমিটির নিকট নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে নাম প্রস্তাব করা নিয়ে বিএনপির নেতাদের মধ্যে নানা সংশয় আছে। দলের একটি পক্ষ মনে করছে, সার্চ কমিটির কাছে নাম দিলে কোনো কাজ হবে না। সেখান থেকে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। আরেক পক্ষের মত, নাম না দিলে সরকারি দল ও নাগরিক প্রতিনিধিরা বিএনপিকে সমালোচনার সুযোগ পাবে।

এ অবস্থায় বিএনপি কী করবে, তার সিদ্ধান্ত নিতে আজকের রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত দলীয় আনুষ্ঠানিক কোন সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। বৈঠকে দলের মহা সচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরসহ- স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ অংশ গ্রহণ করেন।  তবে নাম প্রস্তাব করার পক্ষেই অনেকে মতামত দিয়েছেন বলে জানাগেছে।

তবে আজকের বৈঠকে দলটি কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি,

বৈঠকটি মুলতবী রাখা হয়েছে, সোমবার রাতে আবারো বৈঠকে বসবেন। বৈঠক শেষে বের হওয়ার সময় সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনপ্রকার মন্তব্য না করেই সাংবাদিকদের একথা জানান মহা সচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে গঠিত অনুসন্ধান কমিটি মঙ্গলবারের মধ্যে ৩১টি রাজনৈতিক দলের কাছে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য পাঁচটি করে নাম চেয়েছে।

নাম দেয়া না–দেয়া নিয়ে তাঁরা সম্ভাব্য দুটি বিষয় নিয়ে চিন্তা করছেন। একটি হলো তাঁরা মনে করছেন, নাম দিলেও কোনো লাভ হবে না। নাম চাওয়ার বিষয়টি লোক দেখানো। বিএনপি যদি কারও নাম প্রস্তাব না করে, তাহলে পরবর্তী সময়ে কমিশন গঠন করা হলে বিএনপি কথা বলার সুযোগ পাবে না।

নাম দেয়ার পক্ষে যুক্তি হলো বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তাতে সব দল নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবে বলে এমনটি বলা হয়েছিল। এখন বিএনপি নাম প্রস্তাব না করলে নিজেদের প্রস্তাবের স্ববিরোধিতা হয়ে যায়।