Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:১৫ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

মাহবুব-উল-আলম হানিফ
মাহবুব-উল-আলম হানিফ, ফাইল ফটো

“বিএনপির ভাঙ্গন কেউ ঠেকাতে পারবে না”

বিএনপির ভাঙ্গন অপরিহার্য, এ ভাঙ্গন কেউ ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, খালেদা জিয়ার ভুল সিদ্ধান্ত ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপির ভেতরে অস্থিরতা কাজ করছে। কিছুদিন আগে বিএনপির এক নেতা পদত্যাগ করেছেন। এখন আবার তাদের জোটে ভাঙ্গন তৈরি হয়েছে। এজন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করছেন। আওয়ামী লীগ দল ভাঙ্গনের কাজ করে না। তা করতেন জিয়াউর রহমান। তাই তাদের ভেতরে এখন ভয় কাজ করছে।

তিনি বলেন, আজ আর শুধু জোট নয়, অনেক নেতাই বিএনপির সন্ত্রাসী ও অনৈতিক কাজের জন্য দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন। ইতিমধ্যে একজন বেরিয়েও গেছেন, অনেকে অপেক্ষায় আছেন। ‘ইসলামী ঐক্যজোট কী কারণে জোট ছেড়েছে আমরা এই মুহূর্তে সঠিকভাবে তা বলতে পারবো না। এমনটা জানিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, সম্প্রতিক বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটিয়েছেন। তারা নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। যেটা আমাদের পবিত্র ধর্ম কখনোই সমর্থন করে না। আর সেই কারণে যদি কোনো দল জোট থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সেটা স্বাভাবিক।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ও সংলাপে বিশ্বাস করে। কিন্তু এ মুহূর্তে দেশে কোনো সঙ্কট নেই, যা নিয়ে সংলাপ হতে পারে। আমরা আগেই বলেছি সঙ্কট আছে খালেদা জিয়ার মনে। তার জন্য তিনি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শও দেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

শহীদদের সংখ্যা নিয়ে কটাক্ষ করার জন্য খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, এমনটা উল্লেখ করে হানিফ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় সবচেয়ে গৌরব উজ্জল ভূমিকা ছিল ছাত্রলীগের। আজকে সেই স্বাধীন বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী যখন মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে কটাক্ষ করেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর আঘাত করে। এ বিষয়টি ছাত্রলীগ তখন মেনে নিতে পারেনি। ছাত্রলীগের পক্ষ  থেকে দাবি উঠেছে যে, এ জন্য খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে। সোমবার সমাবেশে বিশাল জনসমাগম করে বিএনপিকে আরো ভয় দেখিয়ে দিতে হবে।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগ নেতা ড. আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জেল হোসেন মায়া, আব্দুর রহমান, খালিদ মাহবুব চৌধুরী ও হাবিবুর রহমান সিরাজ প্রমুখ।