Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:১৮ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

কামরুল ইসলাম
খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, ফাইল ফটো

বিএনপির নতুন ভেলকিবাজি ‘রূপকল্প ২০৩০’ – খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর করতে রুপকল্প নিয়ে বিএনপি যে বৈঠক করেছে তা তাদের একটা নতুন ভেলকিবাজি। তাদের ক্ষমতায় থাকার দিনগুলোর কথা এদেশের মানুষ ভুলে নাই। সেই দুর্বিষহ দিনে এদেশের মানুষ আর ফিরে যেতে চায় না।

তিনি আজ ময়মনসিংহ শহরের এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে জনসচেতনত’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, উৎপাদনের জায়গা থেকে শুরু করে খাবার টেবিল পর্যন্ত খাদ্য নিরাপদভাবে সরবরাহ করতে হবে। খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দিতে হবে । নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে নিরাপদ খাদ্য আইন অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। আইনটি শ্রীলঙ্কা ও ভারতের আদলে তৈরি করা হয়েছে। সেসব দেশেও আইনটি কার্যকর করতে তিন থেকে চার বছর সময় লেগেছে। আমরাও কাজ গুছিয়েছি। ১৮টি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এ কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। এই সাংবিধানিক অধিকার প্রদান করার ব্যাপারে অতীতে কোনো সরকারই চেষ্টা করে নাই। এই অধিকার আমরা দিতে চাই ।

মন্ত্রী বলেন, এখন আমরা জনগন এবং ব্যাবসায়ীদেরকে সচেতন করছি। সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করছি। এরপর আমরা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর কাছে যাব। অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নের্তৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবার উদ্দেশ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, উন্নত দেশের নাগরিকগণ যেসকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের সকল জনগন সেসকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে যারা এক সময় তলা বিহীন ঝুড়ি বলেছিল তারাই আজ প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন।

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য মো: আব্দুল ওয়াদুদ দারা ও নাজিম উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দসহ ব্যবসায়ী সমিতির জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ ভোক্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।