ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:১৮ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

বিএনপির জনসভার মাঠে ছাত্রলীগের সশস্ত্র অবস্থান

গাজীপুরে বিএনপি’র জনসভা মঞ্চের সামনে পুলিশ প্রহরায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থানে রয়েছে। এ নিয়ে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

শনিবার ভাওয়াল কলেজ মাঠে ২০ দলীয় জোটের জনসভা হওয়ার কথা  রয়েছে।

বুধবার সকালে ২০ দলীয় জোটের সভামঞ্চের সামনে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা পুলিশ প্রহরায় মঞ্চ বানিয়ে তাদের দলীয় ব্যানার টানিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিএনপি অভিযোগ করে বলেছে, মঙ্গলবার রাতে পুলিশ প্রহরায় ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা জনসভা মাঠের প্রবেশ দ্বারের তোরণ ভেঙে দেয় এবং ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।  এখনো ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের সামনেই কলেজ মাঠে সশস্ত্র অবস্থানে রয়েছে।

এ ঘটনায় ২০ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তারাও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলার জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে একত্রিত হচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

উদ্ভুত পরিস্থিতিতে জেলা বিএনপি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে। কিছুক্ষণ পরেই জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন জানিয়েছেন।

এদিকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) আ স ম হান্নান শাহ সকালেই গাজীপুরে ছুটে আসেন। তিনি সকাল ১০টায় দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য গাজীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি হাসান উদ্দিন সরকারের টঙ্গীর বাসভবনে এসে পৌঁছান। সেখান থেকেই সরাসরি ও মোবাইল ফোনে দলীয় নেতাকর্মীদের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।

ছাত্রলীগের অনধিকার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বেলা ১১টায় টঙ্গীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে স্থানীয় যুবদল।

টঙ্গী থানা যুবদলের সভাপতি সুরুজ্জামান মাস্টার ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আজিজ প্রিন্সের নেতৃত্বে মিছিলটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে হাসান সরকারের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতাকালে হান্নান শাহ বলেন, যে কোন মূল্যে গাজীপুরের মাটিতে বেগম জিয়ার জনসভা হবেই ইনশাআল্লাহ। তিনি দলের নেতা কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ২৭ তারিখের জন্য প্রস্তুত থাকার আহবান জানান।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন টঙ্গী থানা বিএনপির সভাপতি এস এম শাহান শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম শুক্কুর, কাজী মাহবুবুল হক গোলাপ, প্রভাষক বসির উদ্দিন আহমেদ, সফিউদ্দিন খান, আসাদুর রহমান কিরণ, আকবর হোসেন ফারুক, মোসলেম উদ্দিন, আমজাদ হোসেন জুনা, মিজানুর রহমান, খোর্শেদ আলম, আবুল কালাম আজাদ, কিবরিয়া খান জনি প্রমুখ।