ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৪৪ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৪শে এপ্রিল ২০১৮ ইং

ড. হাছান মাহমুদ

বিএনপিকে নিয়ে সরকার নয়, আতঙ্কে জনগণ : ড. হাছান

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপিকে নিয়ে দেশের জনগণ আতঙ্কে রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি আবার সরকারের বিরুদ্ধে আরেকটি যুদ্ধ করার ঘোষনা দিয়েছে। আর তাঁদের যুদ্ধ হলো সরকার পতনের আন্দোলনের নামে দেশের নিরীহ মানুষকে পেট্রোলবোমা মেরে পুড়িয়ে মারা।’

ড. হাছান আরো বলেন, ‘বিএনপির এ ধরনের হুমকিতে সরকার নয়, দেশের সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।’

হাছান মাহমুদ আজ দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আওয়ামী হকার্স লীগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন।

আওয়ামী হকার্স লীগের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘হকার্স পুনবার্সন চাই’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি এস এম জাকারিয়া হানিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. রুহুল আমিন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু ও আওয়ামী হকার্স লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়ার হোসেন।

বন ও পরিবেশ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপিকে নিয়ে সরকারের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। কারণ বিএনপি তার ভুল রাজনীতির জন্য নিজের করা গর্তে নিজেই পড়ে গেছে। আর সেখান থেকে তাঁরা উঁকি দিয়ে দেখছে আওয়ামী লীগ চোরাবালিতে আটকে গেছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমেদের ঈদের পর নির্বাচন সহায়ক সরকারের দাবী উপস্থাপনের বিষয়ে ড. হাছান বলেন, বিএনপির নির্বাচন সহায়ক সরকার ও নকল ভিশন দিয়ে কোন লাভ হবে না।

তিনি বলেন, দেশের সংবিধানে নির্বাচন সহায়ক সরকারের কোন অস্তিত্ব নেই। আর তাই সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোন নির্বাচন বাংলার মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে না।

সংসদীয় রীতি অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ নির্বাচন পরিচালনা করবে।

হকার্সদের পুন:বাসনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের সকল উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশেও ব্যাপক ভাবে হলিডে মার্কেটের ব্যবস্থা করতে হবে। রাজধানীর ১শ’টি ওয়ার্ডে ১১০ টি থেকে ১২০ টি হলিডে মার্কেট প্রতিষ্ঠা করে হকারদের পুনর্বাসন করা উচিত।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা সচল রেখে দিনের যে কোন নিদিষ্ট সময়ে হকারদের ফুটপাথে বসার সুযোগ করেও দেয়া যেতে পারে। যাতে তাঁরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে পারে।