Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:৩৯ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য সুখবর

করপোরেট করহার হ্রাস, আইপিওতে কর রেয়াত, করমুক্ত লভ্যাংশ আয়ের সীমা বৃদ্ধি, মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের উৎস কর আদায় থেকে অব্যহতিসহ ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য একগুচ্ছ সুখবর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার(০৪ জুন’২০১৫) জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী এসব সুখবর দেন।

অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটে শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে(আইপিও)২০ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে কর রেয়াত সুবিধা ঘোষণা করেছেন।

মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে উৎসে কর আদায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এজন্য আয়কর অধ্যাদেশের ৫৩(ও) ধারা বিলুপ্ত করা হয়েছে।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ফার্ম বা কোম্পানি করদাতার মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায়ের বিধান রাখা হয়।

প্রস্তাবিত বাজেটে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে ভালো কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্তিতে উৎসাহিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে কমানো হয়েছে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর হার। আগের সাড়ে ৪২ শতাংশ থেকে কমিয়ে এ কর হার ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কোনো কোম্পানি তার পরিশোধিত মূলধনের ২০ শতাংশ শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে ছাড়লে ওই কোম্পানি সংশ্লিষ্ট বছরের প্রযোজ্য আয়করের ওপর ১০ শতাংশ কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আর তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি পরিশোধিত মূলধনের ১৫ শতাংশ নগদ বা বোনাস শেয়ার দিলে এর জন্য অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে না। তবে এই লভ্যাংশ আয় অবশ্যই আয় অর্থবছরের ৬ মাসের মধ্যে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রদান বা ঘোষণা করতে হবে। যদি এটি না করা হলে অবিতরণযোগ্য মুনাফার ওপর অতিরিক্ত ৫ শতাংশ কর প্রদান করতে হবে।

আর তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশের নিচে লভ্যাংশ প্রদান করলে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ কর প্রদান করতে হবে। তবে ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না।

প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগকারীদের করমুক্ত লভ্যাংশ আয়ের সীমা ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।