শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:১৩ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৭ই জানুয়ারি ২০১৯ ইং

তোফায়েল আহমেদ
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বিদায়ী বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

বাংলাদেশ সোনালী অধ্যায়ে : বিদায়ী বাণিজ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং সদ্য বিদায়ী বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সোনালী অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

আজ সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদায়ী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘আমি ৯ বছর বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলাম, বাংলাদেশে এতো সময় ধরে আর কেউ-ই এ দায়িত্বে ছিলেন না। এটা (মন্ত্রণালয়) হলো একটি আসা-যাওয়ার রঙ্গমঞ্চ। কেউ আসবে কেউ যাবে, এটাই নিয়ম। আমরাতো এমপি হিসেবে সংসদে থাকবোই। এই সরকারের সফলতা কামনা করি।’

বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে এবং তাদের সফলতা কামনা করে তোফায়েল তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দূরদর্শী চিন্তার মধ্য দিয়ে এবারের মন্ত্রিসভায় নতুনদের জায়গা দিয়েছেন। যারা মন্ত্রী হচ্ছেন তারা সবাই যোগ্য, পরীক্ষিত নেতা। এবারের সংসদ হবে প্রাণবন্ত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশ মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত হবে জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, পদ্মাসেতুসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্প আগামী ৫ বছরে শেষ হবে। ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠন হবে। ২০৩০ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পৌঁছে যাবে।

তিনি বলেন, আমি ২৮ বছর বয়সে প্রথম প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর পলিটিক্যাল সেক্রেটারি নিযুক্ত হয়েছিলাম। পরবর্তীতে ‘৭২ থেকে ‘৭৫ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বিশেষ সহকারী ছিলাম। এর ২১ বছর পর ‘৯৬ সালের ২৩ জুলাই শপথ নিয়ে ২৪ জুলাই সচিবালয়ে এসেছি। দীর্ঘ ৯ বছর আমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম।

তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমরা পরিবারের মতো ছিলাম। আমার কাছে মন্ত্রী নয়, এমপিই বড়। আগামী ৫ বছর বাংলাদেশে অর্থনৈতিক বিজয় অর্জিত হবে,যা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী আমরা জমজমাটভাবে উদযাপন করবো। ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬ তম অর্থনৈতিক দেশ।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চলার পথে ভুল-ত্রুটি হতে পারে। আশা করি সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি প্রায়ই বলতাম এখানে সচিব থাকবে, আমি থাকবো না। তাই একই পরিবারের সদস্য হয়ে সৎ থেকে দায়িত্বের সঙ্গে উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই শুভক্ষণে সৈয়দ আশরাফ নেই, এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। সৈয়দ আশরাফের জায়গা অন্য কাউকে দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।’