প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে ইআরডি’র উপস্থাপনায় এই অর্জনের কথা বলা হয়।

বাংলাদেশ ‘মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত’ হতে প্রস্তুত

তিন প্রধান অর্থনৈতিক সূচকে ২০২৫ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে ইআরডি’র এক উপস্থাপনায় বাংলাদেশের এই অর্জনের কথা বলা হয়।

উপস্থাপনায় মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ঝুঁকির সূচকে বাংলাদেশের ইতিবাচক অর্জনের উল্লেখ করে বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে বাংলাদেশ এখন প্রস্তুত।

এতে বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য মাথাপিছু আয়ের মান হচ্ছে ১২৩০ মার্কিন ডলার। এ ক্ষেত্রে সিপিডি’র হিসেবে বাংলাদেশের অর্জন ১২৭২ ডলার এবং বিবিএস’র হিসেবে ১২৭১ ডলার।

মানবসম্পদের জন্য প্রয়োজনীয় মান ৬৬ বা তার বেশি। এ ক্ষেত্রে সিপিডি’র হিসেবে বাংলাদেশের অর্জন ৭২ দশমিক ৮ এবং বিবিএস’র হিসেবে ৭২ দশমিক ৯।

অর্থনৈতিক ঝুঁকির মান হচ্ছে ৩২ বা তার কম। এ ক্ষেত্রে সিপিডি’র হিসেবে বাংলাদেশের অর্জন হচ্ছে ২৫ এবং বিবিএস’র হিসেবে ২৪ দশমিক ৮। অর্থাৎ বাংলাদেশ এই তিন সূচকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয়ক ও সংস্কার সচিব এন এম জিয়াউল আলম বৈঠক শেষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০১৭’র অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এবং ২০১৬’র একই সময়ে মন্ত্রিসভার গৃহীত ও বাস্তবায়িত সিদ্ধান্তের এক তুলনামূক প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭’র অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার ৮টি বৈঠকে নেয়া ৬৮টি সিদ্ধান্তের মধ্যে ৫৩টি বাস্তবায়িত হয়েছে। অবশিষ্টগুলো বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

এদিকে ২০১৬ সালের একই সময়ে মন্ত্রিসভার ১০টি বৈঠকে নেয়া ১১৬টি সিদ্ধান্তের মধ্যে ৮০টি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অবশিষ্টগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে।

বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট, খাম ও বিশেষ সীলমোহর উন্মোচন করেন।