ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:১২ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

বাংলাদেশ ব্যাংক ৪টি ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেবে

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ৪টি ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করেছে। এগুলো হলো- কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান (এসএমই), অর্থ লেনদেন ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন ও পরিবেশ বান্ধব ‘সবুজ’ পণ্য উৎপাদনের উদ্যোক্তা।
‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সবুজ অর্থায়ন’ সংক্রান্ত দিনব্যাপী এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গভর্নর একথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবুজায়নের দিকে দ্রুত ধাবিত হচ্ছে বলে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ড. আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সবুজ অর্থায়নের জন্য ২০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি তহবিল গঠন করেছে। মূলত রফতানিমুখী বস্তখাত ও চামড়া শিল্পের জন্য এই তহবিল ব্যবহৃত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক, সাসটেন্যাবল এন্ড রিনিউএ্যাবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এসআরইডিএ) এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) এর সহায়তায় বাংলাদেশ সোলার এন্ড রিনিউএ্যাবল এনার্জি এ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ) এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, ইডকল-এর নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ মালিক এবং এসআরইডিএ-এর চেয়ারম্যান এম আনোয়ারুল ইসলাম শিকদার।
ড. রহমান বলেন, বৈশ্বিক গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনে উন্নয়নশীল ও উন্নয়ন দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ তাৎপর্যপূর্ণ না হওয়া সত্বেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একটি।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এবং পরিবেশ বান্ধব আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে প্রায় ৫০টি সবুজ পণ্যে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।
আর্থিক খাতে ডিজিটালকরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, এটা আর্থিক লেনদেনে সময় বাঁচাবে, কাগজ কলমের ব্যবহার কমাবে এবং তা ২০৩০ সাল নাগাদ এসডিজি অর্জনে আমাদের সহায়তা করবে।
মোবাইল ফোনে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি তুলে ধরে গভর্নর বলেন, এতে গ্রামীণ অর্থনীতি দিন দিন জোরদার হচ্ছে। অধিকাংশ রিকশাওয়ালা ও গার্মেন্ট কর্মী মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে গ্রামে তাদের পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাচ্ছে।