ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:৪৬ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

বাংলাদেশ বিশ্বে ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ বিশ্বে ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বুধবার সংসদে তাঁর জন্যে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের এডভোকেট নাভানা আক্তারের এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকার যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দৃশ্যমান ভূমিকা রেখে গেছে।
তিনি বলেন, পূর্বের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের আমলেও উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে একের পর এক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের মধ্য দিয়ে।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে অংশগ্রহণকালে আমাকে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মান ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এ সময় ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নও আইসিটি ইন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে। তাছাড়া গত বছর নারী ও কন্যা শিশুদের শিক্ষা ও সাক্ষরতা প্রসারের জন্য ইউনেস্কো ‘শান্তি বৃক্ষ’ পুরস্কারে তাঁকে ভূষিত করে। তথ্য প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নির্মাণের স্বীকৃতি হিসেবে ‘ভিশনারি অ্যাওয়ার্ড-২০১৪’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পূর্বেকার আমলেও তাঁকে জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে বিভিন্ন সম্মানজনক স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেয়া হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- মাদার তেরেসা পদক, মহাত্মা গান্ধী পদক, সেরেস পদক, এমডিজি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার, সাউথ-সউথ পুরস্কার ইত্যাদি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্মানজনক ‘জুলিওকুরি পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছিলেন। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিরল ও নজিরবিহীন নেতৃত্ব প্রদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতির জনককে বিশ্ব শান্তি পরিষদ এই পুরস্কারে ভূষিত করে।
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সম্মান, শ্রদ্ধা ও প্রশংসা অর্জন করেন এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে একজন কিংবদন্তীতে পরিণত হন।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা না হলে তাঁর হাত ধরে বাংলাদেশের অর্জনের ভান্ডার নিঃসন্দেহে আরো সমৃদ্ধ হতো। এর পর আওয়ামী লীগ সরকার যতবারই ক্ষমতায় এসেছে ততবারই বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দৃশ্যমান ভূমিকা রেখে গেছে। মিলেছে একের পর এক সম্মানজনক আন্তর্জাতিক পুরস্কার। বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া আর কোন সরকারের আমলে কোন সরকার প্রধানই এতগুলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করতে পারেনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সকল অর্জনই এদেশের মানুষের। আগামী দিনগুলোতেও আন্তর্জাতিক পুরস্কারগুলো অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে। এদেশের সকল মানুষকে নিয়ে তাদের উন্নয়নে ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিষ্ঠার সাথে কাজ করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।