ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:০২ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৯শে জুন ২০১৮ ইং

বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্লেষণ

বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক বৈধতা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত। একইভাবে সহিংস মৌলবাদী দলগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলোও অনিশ্চিত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে থাকে নয়াদিল্লিভিত্তিক এমন একটি ওয়েবসাইট সিকিউরিটি-রিস্কস ডট কম বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা সংক্রান্ত গতিধারা নিয়ে এসব কথা লিখেছে। স্বতন্ত্র এ ওয়েবসাইটটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন প্রবীণ সেনা রাহুল কে ভোঁসলে ও প্রমিলা ভোঁসলে। তারা তথ্য- উপাত্তের ভিত্তিতে ঝুঁকি কমানো ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্লেষণ দিয়ে থাকেন এতে। এ ওয়েবসাইটটির মূল থিম হলো হিউম্যান সিকিউরিটি বা মানব নিরাপত্তা। এতে বলা হয় বেসামরিক ও সামরিক সম্পর্কের ভারসাম্যের বিষয়টিও বাংলাদেশে অনিশ্চিত। তবে, রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বহু মতবাদের অস্তিত্বকে ইতিবাচক উল্লেখ করা হয়। এছাড়া, বলা হয়, যুদ্ধাপরাধ বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনার কথা। বলা হয়, জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ, হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য গোষ্ঠীগুলো নিষ্ক্রিয় করার সম্ভাবনাও নেতিবাচক বাংলাদেশে। তবে অর্থনৈতিক খাতে দেশের জাতীয় প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক। এ বিষয়ে চলতি বছরের জুনে বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট থেকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, বিশ্বব্যাংক দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি সম্ভাবনার হার সংশোধন করেছে। এখন প্রবৃদ্ধি সম্ভাবনা শতকরা ৫ দশমিক ৬ ভাগ। এর আগে এ সম্ভাবনা ধরা হয়েছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০১৪ সালে এ হার ছিল শতকরা ৬ দশমিক ১ ভাগ। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে অর্থনীতি তার গতিতে চলছে। ফলে প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস পিরিয়ডের কাছাকাছি যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা যদি ইতিবাচক সূচকে অর্জিত হয় তাহলে মূল নিয়ামকগুলো যেমন রাজনীতি, সুশাসন ও অন্যান্য বিষয় আরও কার্যকর ও স্থিতিশীল হবে। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য ও উন্মুক্ত সূত্র থেকে বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে সম্ভাব্যতা, ইতিবাচক, নেতিবাচক, অনিশ্চিত হিসেবে।