Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:৩৫ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

“বাংলাদেশে কারও জীবনের নিরাপত্তা নেই”

বাংলাদেশে এখন কারও জীবনের নিরাপত্তা নেই। বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে গুম-খুন চলছে অভিযোগ করে জাতিসংঘের অধীনে এর তদন্ত দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে নিজ কার্যালয়ে গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সহমর্মিতা জানাতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
এ সময় দেশে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত গুম হওয়া ২৬ বিএনপি নেতাকর্মীর স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা জিয়া বলেন, বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে গুম-খুন চলছে। এই গুম-খুনের তদন্ত সরকারকে দিয়ে সম্ভব নয়। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিকভাবে এর তদন্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে যেসব নিরপেক্ষ তদন্ত সংস্থা আছে তাদেরকে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে গুম-খুনের তদন্ত করতে হবে। শুধু দিবস পালন করলেই হবে না।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, বাংলাদেশে এখন কারও জীবনের নিরাপত্তা নেই। আমরাও যে গুম হব না এর নিশ্চয়তা নেই। যারা গুমের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার অবশ্যই হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যারা গুম হয়েছে এবং তাদের গুমের সঙ্গে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করা হবে।
খালেদা জিয়া বলেন, দেশে আগে গুম ছিল না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেই গুমের রাজনীতি শুরু করেছে। যারা দেশের নেতৃত্ব দেবে, সরকার বেছে বেছে সেইসব ছেলেদের গুম করেছে।
‘অনন্ত অপেক্ষা… বাংলাদেশে গুম ২০০৯-২০১৫’ শিরোনামের এই অনুষ্ঠানে ছিলেন, গুম হওয়া বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহমিনা রুশদীর লুনা, লাকসাম পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি হুমায়ুন কবির পারভেজের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গুম হওয়া সুমন, রাসেল, আদনান ও তানভীরসহ মোট আটজনের স্বজনরা।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরাও এতে উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের স্বজনরা কিভাবে গুম হয়েছেন সেটি তুলে ধরেন।
গুম হওয়া পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য শোনার আগে গুম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।