Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:০৪ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবার প্রশ্নে ভিন্নমত বিশ্বব্যাংকের

সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বর্তমান বছরে ৭ শতাংশের বেশি হবে বলে ইঙ্গিত দিলেও এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছে বিশ্বব্যাংক।

‘সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস স্প্রিং ২০১৬: ফেডিং টেইলউইন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদন গতকাল প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থবছরের শুরুতে আমদানি, রপ্তানি, রেমিট্যান্স, এডিপি বাস্তবায়ন, ঋণ প্রবৃদ্ধি প্রভৃতি খাতে ধীরগতি দেখা গেছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট, ব্যবসা করার উচ্চব্যয় ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বহাল থাকায় বেসরকারি বিনিয়োগেও খুব বেশি গতি দেখা যায়নি। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা সহনীয় মাত্রায় রয়েছে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ও গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। সব মিলিয়ে অর্থবছরের শুরুতে অর্থনৈতিক সূচকগুলো যতটা শক্তিশালী ছিল, নয় মাস পর তা আর বজায় থাকেনি।

বিশ্বব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছর ব্যক্তিখাতে ভোগ প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৩.১ শতাংশ, গত অর্থবছর যা ছিল ৫.৪ শতাংশ। বেতন-ভাতা শতভাগ বৃদ্ধির ফলে সরকারি ব্যয় প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ২০.২ শতাংশ। রপ্তানি ও আমদানি উভয় খাতের প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়াবে যথাক্রমে ১৫.৫ এবং ১৩.২ শতাংশ। আর সার্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৩ শতাংশ। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়াবে ৬.৬ শতাংশ।

যদিও ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য ৭.০৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাথমিকভাবে প্রাক্কলন করেছে সরকার। গত অর্থবছরের শেষ তিন মাস ও চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে এ প্রাক্কলন দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

(বিশ্ব ব্যাংকের বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত তথ্য এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল)