ব্রেকিং নিউজ

রাত ৪:২৬ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

এডিবি বংলাদেশে ঋণ বাড়াবে

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নের তাগিদ এডিবির

বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশে পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য আরো বেশি উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে কাজ করতে এডিবির পক্ষ থেকে আরো ৫৫ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বা চার হাজার ৪২৪ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে চায়।

বাংলাদেশে নিযুক্ত এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কাঝুহিকো হিগুচি শনিবার এক সাক্ষাৎকারে রয়টার্সকে বলেছেন, একটি উন্নত ক্রিয়াশীল পুঁজিবাজার দেশের অবকাঠামো ও অন্যান্য খাতে ব্যক্তি খাতের  বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করতে পারে। এতে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়।

দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে দুই যুগ ধরে সরকারকে সহায়তা দিয়ে আসছে এডিবি। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় কর্মসূচির জন্য সম্প্রতি সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে সংস্থাটি। এ ধরনের আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান হিগুচি।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টরের মতে, এ ধরনের আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে নীতিগত কাজে সাহায্য করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের চাহিদা মেটাবে, আর্থিক সম্পদ সরবরাহ বিস্তৃত করবে এবং সরকারের বন্ড বাজারে তারল্য বাড়াবে। এটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে সাহায্য করবে।

গত মাসে ঢাকায় সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার ২৮ প্রতিনিধির বৈঠক হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, জ্বালানি, পরিবহন যোগাযোগ ও বন্দর এবং ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে এক হাজার ২০০ কোটি ডলার খরচ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে শুধু সাহায্যের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে বলে ওই বৈঠকে অঙ্গীকার করে এডিবি। হিগুচি বলেন, একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল পুঁজিবাজার দেশের ক্রমবর্ধমান খাতের অবকাঠামো উন্নয়নে সাহায্য করতে পারে।

দেশের পুঁজিবাজারকে স্বচ্ছ ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে এবং ব্যক্তি খাতে অর্থায়ন বাড়াতে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।