ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:০৯ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

বাংলাদেশের অর্থনীতি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে টেকসই

দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে গত এক দশকে টেকসইভাবে ছয় শতাংশের বেশি জিডিপি’র হার বজায় রাখাসহ কৃতিত্বের সাথে সবচেয়ে কম মাত্রায় অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মধ্যে ছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান উপস্থাপিত এক নিবন্ধে এসব কথা বলা হয়।
প্রবৃদ্ধিতে ধারনার অনিশ্চয়তা বা অবিশ্বাস বলতে বোঝায়- কোন একটি দেশের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির আকার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা বা ঝুঁকির পরিমান।
হাবিব ব্যাংক এজি জুরিখ আয়োজিত সেমিনারে ড. আতিউর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
গূরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক সমূহের উপাত্ত উপস্থাপন করে গভর্নর বলেন, গত এক দশকে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো শক্তিশালী ছিল, সেই সাথে ছিল এক অঙ্কের মুদ্রাস্ফীতি ও আধুনিক আর্থিক ঘাটতি।
সেমিনারে গভর্নর একটি লেখচিত্রের মাধ্যমে গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অনিশ্চয়তা সাথে সাথে দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করেন।
ড. আতিউর অপর একটি লেখচিত্রের মাধ্যমে গত এক দশকে বাংলাদেশের বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতির হারের সাথে দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলোর মুদ্রাস্ফীতির হার ও এ সংশ্লিষ্ট অনিশ্চয়তার বা দ্বিধাদ্বন্ধের তুলনামূলক আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, ওই সময়ে অনিশ্চয়তা বা বা দ্বিধাদ্বন্ধের সর্বনিম্ন হার ছিল বাংলাদেশে দুই দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে, ভারতে তা ছিল দুই দশমিক ৮৭ শতাংশ, পাকিস্তানে তিন দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় চার দশমিক ৫২ শতাংশ।
তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), রিজার্ভ, বিনিময় দর প্রভৃতি খাতে অবস্থা ছিল সন্তোষজনক।
ড. আতিউর বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য টেক্সটাইল, সিরামিক, চামড়াজাত সামগ্রি, অবকাঠামো, জাহাজ নির্মাণ, সেবা, তথ্য প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সেবা এবং বন্দর খাতের কথা উল্লেখ করেন।