‘বর্ষবরণে নারিকদের নিরাপত্তায় সব ধরণের ব্যবস্থা নিচ্ছে ডিএমপি’

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানস্থলে বিপুল সংখ্যক সি সি ক্যামেরা ও ১৯টি ওয়াচ টাওয়ার বসানো হবে। ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

তিনি বলেন, রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপিত পুলিশের কন্ট্রোল রুম হতে সার্বক্ষণিক সকল সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হবে।
ডিএমপি কমিশনার আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ডিএমপি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সহিদ আক্তার হোসেন বক্তব্য রাখেন।

ঢাবি প্রক্টর মো. আমজাদ হোসেন, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিছার হোসেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড প্রসিকিউশন) দিদার আহমেদ, ক্রাইম অ্যান্ড অপস শেখ মুহাম্মদ মারুফ হাসান, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমস ইউনিটের মো. মনিরুল ইসলাম, অপসের যুগ্ম-কমিশনার মীর রেজাউল আলম ও অপরাধ বিভাগের যুগ্ম-কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন।।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বাংলা নববর্ষ সুন্দর ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাবি কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এ উপলক্ষে হকার উচেছদে বিশেষ টহলের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শাহবাগ থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত কোন হকার বা ভ্রাম্যমান কোন দোকান বসতে দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জরুরী ঘোষণার জন্য মাইকিং-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রায় পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত সোয়াট টিম, বিপুলসংখ্যক সাদা পোশাকে ও ইউনিফর্মে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় কোন প্রকার মুখোশ পরিধান করা যাবে না, তবে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে মুখোশ সম্বলিত ব্যানার ব্যবহার করতে পারবেন। কোন কোম্পানি তাদের প্রচারণা চালানোর জন্য মঙ্গল শোভাযাত্রার অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কোন প্রকার ভূ-ভূ জেলা বাঁশি বাজানো যাবে না।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে রমনা পার্কের ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশ গেটে ফুল, মিঠাই ও বিশুদ্ধ খাবার পানি বিনামূল্যে সরবারহ করা হবে।

বিকাল ৫টার পর কোন উন্মুক্ত স্থানে কোন প্রকার অনুষ্ঠান করা যাবে না। বিকাল ৫টার পর পার্কের সকল প্রবেশ গেট বাহির হওয়ার গেইট হিসেবে বিবেচ্য হবে। বিকাল ৫টার পর কেউ পার্কে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এছাড়াও ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবর, বিআইসিসি সুরের ধারা ও হাতিরঝিল এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানকে ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ঢাকা শহরে ইতিমধ্যে চেকপোষ্ট ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা টিম সার্বক্ষণিক সচেষ্ট ও কর্মতৎপর রয়েছে।

সর্বশেষ সংশোধিত: , মাধ্যম: