Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:০০ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

বরিশাল-ঢাকা নৌপথে বিআইডব্লিউটিসি’র ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরিশাল-ঢাকা নৌ-রুটে মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) ঈদের স্পেশাল সার্ভিস শুরু হচ্ছে। সরকারি এই সংস্থার ৭টি জাহাজ আজ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত এই সেবা অব্যাহত রাখবে।
এছাড়া বুধবার ১৫ জুলাই ১৪টি লঞ্চের মাধ্যমে বেসরকারি লঞ্চ মালিকদের সংগঠন অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহন সংস্থা বিশেষ সার্ভিস শুরু করবে।
বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি’র উপ-মহাব্যবস্থাপক গোপাল চন্দ্র মজুমদার জানান, মঙ্গলবার স্পেশাল সার্ভিস হিসেবে ঢাকা থেকে ৩টি জাহাজ বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। এগুলো হলো- এমভি বাঙালি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়, পিএস মাসুদ ৭টায় ও এমভি শেলা বিকেল ৫টায় বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। তিনি জানান, এছাড়া এবার ৭টি জাহাজের পাশাপাশি বরিশালের অভ্যন্তরীণ রুটে ৫টি সি ট্রাক চলাচল করবে।
বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, বরিশাল-ঢাকা রুটে ৭টি স্টিমার নিয়ে আজ ঈদে ঘরে ফেরা ও ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের সার্ভিস শুরু করা হবে। আর এবার ঈদ স্পেশাল সার্ভিস হিসেবে বিআইডব্লিউটিসি’র বহরে নতুন জাহাজ মধুমতি যুক্ত করা হবে বুধবার থেকে। অত্যাধুনিক জাহাজটি মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের কথা রয়েছে। ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে জাহাজটি যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।
এছাড়া নিয়মিত জাহাজের মধ্যে এমভি বাঙালি, পিএস লেপচা, পিএস অস্ট্রিচ, পিএস মাসুদ, পিএস টার্ন এবং এমভি শেলা নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করবে। এর মধ্যে এমভি বাঙালি বরিশাল-ভায়া হয়ে ঢাকা-মোড়েলগঞ্জ রুটে চলবে। এমভি শেলা চাঁদপুর-বরিশাল এবং বাকিগুলো ঢাকা-বরিশাল-মোড়েলগঞ্জ রুটে চলাচল করবে।
অন্যদিকে বেসরকারি নৌযান মালিক সমিতি ১৫ জুলাই থেকে ঈদের বিশেষ সেবা ব্যবস্থা চালু করবে। ঈদের পর ২৭ জুলাই পর্যন্ত বিশেষ এই সেবা চালু থাকবে। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে ইতোমধ্যে টিকিটের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ ও লটারির মাধ্যমে গ্রাহকদের মাঝে কেবিনের স্লিপ দেয়া হয়েছে। ভাড়া পূর্বের ন্যায় রাখা হয়েছে।
এদিকে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ। ১৪ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত স্পেশাল সার্ভিস বিষয়ে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে পল্টুন, জেটি ও শিপঘাট সম্পূর্ণ ব্যবহারোপযোগী রাখা হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল রুটের ভাষানচর ও শেওরা পয়েন্টসহ সকল নৌ-পথে বয়া, বাতি, মার্কা ও বিকন ইত্যাদি স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভিক ও টাগের স্ট্যান্ডবাই রাখারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। লঞ্চঘাটের পল্টুনে উপরে যাওয়া বোলার্ড পুনঃস্থাপন, দুর্ঘটনা এড়াতে প্রত্যেক লঞ্চে সনদধারী মাস্টার ও ড্রাইভারের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণসহ প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম মজুদ ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র সচল রাখার কথা বলা হয়েছে বিআইডব্লিউটি’র পক্ষ থেকে।
পাশাপাশি ঘরে ফেরা যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যাত্রীদের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার লক্ষে বন্দর এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের টিম মোতায়েন থাকবে। বন্দর এলাকায় নিরিবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেনারেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।