ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:১৯ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ‘উচ্চ আদালত’ কোথায় ছিল?

উচ্চ আদালতের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন রেখেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর এই উচ্চ আদালত কোথায় ছিল?’

উচ্চ আদালতের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালত এখন বিভিন্ন বিষয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে অনেক রায় দেন। অনেকে অনেক বিষয় নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর এই উচ্চ আদালত কোথায় ছিল?

বুধবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ প্রশ্ন রাখেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, বিএনপির অজুহাত ততই বাড়ছে। বিএনপি মানুষের কল্যাণ করতে পারে না। তারা শুধু জানে ধ্বংস করতে।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা সবাই খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, জিয়া নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণার পর প্রথমেই খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। তাদের যোগ্যতা ছিল একটাই সেটা হলো তারা একজন রাষ্ট্রপতিকে খুন করেছে। তারা মুজিবকে হত্যা করতে পেরেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, যে জিয়াউর রহমান নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা খেতাবধারী মনে করেন, সেই জিয়াই তো কত মুক্তিযোদ্ধা আর্মি অফিসারকে হত্যা করেছেন।

জিয়াউর রহমানের পর এরশাদ ও খালেদা জিয়া খুনিদের পাশে নিয়ে রাজনীতি করেছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, খুনিদের ক্ষমতায় আসার সুযোগ দিয়েছেন। খুনি রশিদ ও কর্নেল হুদাকে বিরোধী দলের নেতা বানিয়েছেন।

মহানগর নেতা হাজি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।