ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫৯ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

বগুড়ায় যুবলীগ কর্মী ও পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতা খুন

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতা ও বগুড়ায় যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার পটুয়াখালীর কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাবেক ইউপি সদস্য মো. মনির তালুকদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই সময়ে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা উত্তরপাড়ায় রোববার বিকালে রঞ্জু প্রামাণিক (৩৯) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

পটুয়াখালী: কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাবেক ইউপি সদস্য মো. মনির তালুকদারকে কুপিয়ে হত্যা করে। রোববার বিকেল ৪টায় উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের গামরতলা এলাকায় মনির তালুকদারকে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করলে বিকেল সাড়ে ৫টায় সে মারা যায়। কলাপাড়া থানা পুলিশ আমতলী হাসপাতালে লাশের সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে।

বগুড়া: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা উত্তরপাড়ায় রোববার বিকালে রঞ্জু প্রামাণিক (৩৯) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রঞ্জুর লোকজন হত্যাকারী সন্দেহে একই এলাকার সাত্তারের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। দ্রুত নিভিয়ে ফেলায় তেমন ক্ষতি হয়নি।
পুলিশের ধারণা, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যা করেছে। হত্যাকান্ডের পর থেকে এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসীরা জানান, শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা ও ফুলদীঘি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজিসহ নানা কারণে যুবলীগ নেতা মজনু প্রামানিকের সাথে বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা শাহীন ও তাদের গ্রুপের মধ্য দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এসব বিরোধে মজনুর বাবা ফুলতলা উত্তরপাড়ার শুকুর আলী, ভাতিজা বুশ, কিছুদিন আগে ভাগ্নে নাহিদসহ মজনু নিজে এবং এর আগে শাহীন নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হন।
শাজাহানপুর থানা জানায়, রোববার বিকাল পৌণে ৫টার দিকে রঞ্জু প্রামাণিক ফুলতলা উত্তরপাড়ায় বাড়ির কাছে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় দু’টি মোটরসাইকেলে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ৫-৬ জন সন্ত্রাসীরা রঞ্জুর মাথায় উপর্যুপরি কোপায়। রক্তাক্ত রঞ্জুকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পূর্ব বিরোধের জের ধরে রঞ্জু প্রামাণিক প্রতিপক্ষের হামলায় খুন হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে রঞ্জুর লোকজন প্রতিবেশি শিবলুর বাবা সাত্তারের বাড়িতে আগুন দেয়। পরে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।