ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৫৪ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফের ২২ তাবলীগকর্মী আটক

কাকরাইল মসজিদ থেকে ফের ২২ জন তাবলীগ জামাত কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের আটক করে রমনা থানা পুলিশ।

এর আগে ১৯ ডিসেম্বর রাতে ২৪ জন তাবলীগ কর্মীকে আটক করা হয়। তারা মাগরিবের নামাজের পর মসজিদের ভেতরে মসজিদের আমির ওয়াসিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিফলেট বিলি করছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়। ওয়াসিফুলের লোকজনই তাদের মসজিদের ভেতর আটকে রাখে। এশার নামাজের পর রমনা থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একই অভিযোগে মসজিদের ভেতরে থেকে ২২ জনকে আটক করা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তিন চিল্লার সাথী মাহবুব বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সময় কাকরাইল মসজিদের আর্থিক অনিময় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে। আজকে আমরা প্রায় ৫০ জনের মতো মাগরিবের নামাজ শেষে লিফলেট বিতরণ করতে গেলে তাবলীগের আমির ওয়াসিফুল ইসলামের লোকজন আমাদের ধরে নিয়ে মারধর করে।’

সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টার দিকে রমনা থানা পুলিশ কাকরাইল মসজিদে আটককৃতদের উদ্ধার করতে যায়। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের মসজিদ থেকে বের করে দেন তাবলীগের আমির ওয়াসিফুল ইসলামের প্রধান সহযোগী মাহফুজুল হান্নান। তিনি সাংবাদিকদের ‘মোনাফেক’ আখ্যায়িত করে বলেন, ‘আপনারা কার অনুমতি নিয়ে ঢুকেছেন? এখানে ঢোকার কোনো অধিকার আপনাদের নেই। আপনারা মোনাফেক। সাংবাদিকরা আমাদের বিরুদ্ধে উল্টাপাল্টা লেখে। আপনার যা ইচ্ছা তা-ই লিখতে পারেন। আপনাদের কাছ থেকে মাফ চাই, পানাও চাই। আর কখনো কাকরাইল মসজিদে দেখলে আপনাদের ভালো হবে না।’

রাত ৮টার দিকে কাকরাইল মসজিদ থেকে ২৩ জনকে আটক করে রমনা থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একজন আইনজীবীকে ছেড়ে দেয়া হয়। তার নাম অ্যাডভোকেট এসএএম মিহফুজুর।

রমনা থানা বলছে, ‘আটককৃতরা কাকরাইল মসজিদের লিফলেট বিতরণ করছিল। তাদের মসজিদের লোকজন আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এরপর তাদের থানায় আনা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ওই ২২ জনকে আটকের আগে ওয়াসিফুলের লোকজন তাদের মসজিদের নির্মাণাধীন একটি কক্ষে বেঁধে রেখে মারপিট করে। পরে তারা রমনা থানায় খবর দেয়। এমনকি পুলিশে সোপর্দ করার সময়ও তাদের শরীরে রড মারা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিন চিল্লার সাথী মাহবুব।