ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৩৬ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

“ফের সরকার হটানোর আন্দোলনের কথা ভাবছে বিএনপি”

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দীন আহমেদ বীরবিক্রম বলেছেন, কাউন্সিলের পর বিএনপি আবার সরকারকে হটানোর আন্দোলনে নামতে চায়।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় হাফিজ এই কথা বলেন। জিয়া নাগরিক ফোরাম নামের একটি সংগঠন ‘গণতন্ত্র ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা’ শীর্ষক ওই আলোচনার আয়োজন করে।

আগামী ১৯ মার্চ দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করার জায়গা দিচ্ছে না অভিযোগ করে হাফিজ বলেন, এ অবস্থা উত্তরণে রাজপথে আন্দোলন করে সরকারকে বিদায় করতে হবে। অনেকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, বিএনপির আন্দোলন করার শক্তি নাই। কাউন্সিলের পর বিএনপি মাঠে নামতে চায় দেশের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে।

বিএনপিকে আরো গতিশীল করতে এবারের কাউন্সিলে আরো নতুনত্ব আসছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, এবার কমিটি ঘোষণার সাথে নতুন করে উপ কমিটিও ঘোষণা করা হবে। কমিটি সারা বছর দেশের আন্দোলন পরিচালনা করবে। কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে অবৈধ এ সরকারের পতন ঘটানো হবে।

হাফিজ বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র না থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাও থাকে না।

বিচার বিভাগের কঠোর সমালোচনা করে মেজর হাফিজ উদ্দীন বলেন, নিয়ম বহির্ভূত বিচারপতি নিয়োগের ফলে বিচার বিভাগের কাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ বিচার বিভাগকে নিয়ে যা প্রত্যাশা করে তা থেকে বিন্দুমাত্র কিছু পায় না। তাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে অনেক ফারাক সৃষ্টি হয়েছে।

তুচ্ছ মামলা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের রিমান্ডে নেয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সাত খুনের আসামি নূর হোসেনের এক দিনের জন্যও রিমান্ড হল না। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীদের অতি তুচ্ছ মামলায় রিমান্ডে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করা হয়।

তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। দেশে এক অস্থিরতা বিরাজ করছে।

দেশে গণতন্ত্র নেই, আছে লুণ্ঠনতন্ত্র উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি করায় যে বিদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তার দেয়া তথ্যে আওয়ামী লীগের বড় নেতাদের নাম উঠে এসেছে। এ জন্য সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাত করতে দিচ্ছেনা পুলিশ।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, সহ-সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।