Press "Enter" to skip to content

ফেরীঘাট ও লঞ্চঘাটের ইজারা ১ জুলাই থেকে বাতিল : নৌ পরিবহন মন্ত্রী

নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, দেশের ১৪টি ফেরীঘাট ও ৮টি লঞ্চঘাটের ইজারা আগামী ১ জুলাই মাস থেকে বাতিল করা হবে।
তিনি বলেন, ঈদের পূর্বে বা পরে কোন যাত্রী, বাস চালক ফেরী বা টার্মিনাল কাউন্টার ছাড়া কোন টিকিট  ক্রয় করবেন না। যদি কেই জোর জবর দস্তি করে তাহল নিকটস্থ পুলিশকে জানান অথবা সরাসরি আমাকে জানান।
মন্ত্রী আজ মতিঝিলের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) মিলনায়তনে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল- ফিতর ঊপলক্ষ্যে নৌপথে সুষ্ঠু সুসৃঙ্খল ও নিরাপদ নৌ চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধান কল্পে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিক আলম মেহেদী, বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক, বিআইডব্লিউটিসির চেয়রম্যান মিজানুর রহমান, লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুদ্দিন আহম্মেদ বীর প্রতিক ও কর্মকর্তাবৃন্দ, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, কেরানীগগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীরপুরের পটুয়াখালী জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশের প্রতিনিধি, লঞ্চ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ প্রভৃতি।
মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, আমরা বাকঁল্যান্ড বাঁধে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছি। শশ্মান ঘাটে সদরঘাটের মতো অত্যাধুনিক আধুনিক টার্মিনাল নির্মিত হবে।
তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথা ঈদে লঞ্চে মানুষ পারাপারে অসুবিধা হলে এবার আমরা ফেরীতে মানুষ পারাপার করবো।
মন্ত্রী বলেন, সব চেয়ে বেশী বেপোরোয়া উঠেছে স্পীড বোর্ডের মালিকরা। যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরানো হয়না। যাত্রীরাও লাইফ জ্যাকটে পরে না। কারণ তারা বলেন এটি পরলে নাকি তাদের গরম লাগে।
তিনি বলেন, লঞ্চ দুর্ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার পর নাকি বিচার হয় না। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালে ৮০ ভাগ মামলা নিস্পত্তি হয়েছে। বেশীর ভাগ লঞ্চ দুর্ঘনার সাজা হয়েছে। নৌ পথের শৃৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।
মন্ত্রী বলেন, নৌ মন্ত্রণালয়ের ৫টি বিদ্যমান ষ্টিমারের মধ্যে বহরে আরো ২টি ষ্টিমার যুক্ত হয়েছে। ষ্টিমার দুটি হচ্ছে বাঙ্গালি ও মধুমতি। ষ্টিমার দুটি ঢাকা-বরিশাল আগের মতো ঢাকা-খুলনা চলাচল করবে।

শেয়ার অপশন:
Don`t copy text!