Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫৩ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘ফায়ারওয়াল থাকতে হবে’

উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের অপব্যবহার রোধে নাগরিকদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘যত ধরনের নতুন প্রযুক্তি রয়েছে, গ্রহণ করা হবে। তবে, তার ফায়ারওয়াল থাকতে হবে। তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

এ সময় এই স্মার্ট কার্ড নকল করা সহজ হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও তিনি নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট স্মার্ট কার্ড প্রদানকারি কতৃপর্ক্ষকে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী ভাষণে এ আহবান জাানন।

প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদকে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ এই স্মার্ট পরিচয়পত্র রাষ্টপতিকে পৌঁছে দেবেন। এরপরই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তাঁর স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেন।

এরআগে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই মঞ্চে আরোহন করে ১০ আঙ্গুলের ছাপ দেন এবং স্মার্টকার্ড সংগ্রহে চোখের স্ক্যানিং করান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বিজয়ী বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের গতকালের বিজয়ে অভিনন্দিত করেন এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেন।

বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক এবং বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত এই স্মার্টকার্ড প্রকল্পের ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুশফিকুর রহিম, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল, বোলিং সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান, সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার, নাসির হোসেইন, ইমরুল কায়েস এবং তাজুল ইসলামরা একে একে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তাদের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই উন্নত কার্ডই সব রকম সেবা দেবে। ঘরে বসেই এখন অনেক কিছু করা সম্ভব হবে। যার সহায়ক হবে এই স্মার্টকার্ড।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তব, আমাদের আরেকটি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণের মাধ্যমে এই কার্ড প্রদানের ফলে আবারও তা প্রমাণিত হলো। আমরা সবাইকে এই কার্ড দিতে পারছি। এটি জাতি হিসেবে আমাদের আরও উন্নত করবে।

তিনি বলেন, অনেক প্রযুক্তি আছে, সেসব প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে এই কার্ডের ডাটার নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। কেউ যেন ডাটা ব্যবহার করে কোনো অপরাধ ঘটাতে না পারেন, সতর্ক থাকতে হবে এটি নিয়ে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রধান নিবাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ এবং বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিয়াও ফ্যান। অনুষ্ঠানে ‘আইডেন্টিফিকেশন সিষ্টেম ফর এনহ্যান্সিং আক্সেস টু সার্ভিস’শীর্ষক এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো.সালেহ উদ্দীন প্রকল্প সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন। নিবাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এই কার্ড প্রদানের জন্য দেশের ১০ কোটি নাগরিকের তথ্য নিয়ে একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এর আওতায় ২০১৭ সালের মধ্যে ৯ কোটি নাগরিককে স্মার্ট জাতয়ি পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে এবং এর মাধ্যমে বিদ্যমান পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র প্রতিস্থাপিত হবে।

সূত্র জানায়, বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে এটি তৈরি হয়েছে। জাতীয় পরিচয়ের ডাটাবেইজ ও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের সনদপ্রাপ্ত। এটি ট্র্যাভেল কার্ডসহ আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাতীয় পরিচয়পত্র হিসাবে বিবেচিত হবে। স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র নাগরিকদের শ্রেণী, বয়স, অবস্থা-অবস্থান ও পেশা ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিশেষ সুবিধা প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে।

এর মাধ্যমে সেবা প্রদানকারী সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহ অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে নাগরিকদের পরিচিতি সঠিকভাবে যাচাই করতে পারবে। ডাটাবেইজে অভিগম্যতা লাভের মাধ্যমে অনলাইনে এবং অফলাইনে চিপ/এমআরজেড/বারকোড/ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানারের মাধ্যমে সহজেই স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যাদি যাচাই করা সম্ভব।

ইতোমধ্যে সমঝোতা স্বারক সাক্ষরের মাধ্যমে ৬৪টি প্রতিষ্ঠান এর সেবা গ্রহণ শুরু করেছে বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

আগামীকাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোারেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং উত্তরের ১নং ওয়ার্ডসহ কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ির জনগণ ও ছিটমহলের অধিবাসীদের মধ্যে প্রথম দিনে এই কার্ড বিতরণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেশিন রিডেবল স্মার্ট জাতীয় পরিচয় পত্র বিতরন উদ্বোধনকালে বলেন, মানবীয় যোগাযোগ প্রসারের এই সময়ে তথ্য সাধারণ কোন বিষয় নয়, এটি বিশেষ ধরনের ক্ষমতাও। এখন তথ্যের উপযোগিতাও অফুরন্ত। সাম্প্রতিক সময়ে আত্মঘাতী জঙ্গীদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে ছবি সম্বলিত ভোটার তালিকার সঙ্গে তাদের আগুলের ছাপ যাচাই করে অনেকের পরিচয় বের করা সম্ভব হয়েছে। এটি জঙ্গিবাদ নিরসন করে সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করতে ভূমিকা রাখবে বলেও প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ‘আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং অ্যাক্সেস টু সার্ভিস (আইডিইএ) প্রকল্পের আওতায় স্মার্ট জাতীয় পরিচয় প্রদানের কাজ হাতে নেয়। এই কঠিন কাজটি করার জন্য নির্বাচন কমিশন এবং আর্থিক সহায়তার জন্য বিশ্ব ব্যাংকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

প্রাথমিকভাবে এ ডাটাবেইজ তৈরির উদ্দেশ্য ছিল ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় তাঁরাই এই দাবি তুলেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘সেই সময়ে বিএনপি-জামায়াতের ১ কোটি ৩৯ লাখ ভূয়া ভোটারের নাম জাতীয় ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়ার জন্য আমিই প্রথম ছবি সম্বলিত ভোটার তালিকার দাবি জানাই।’

পরবর্তীতে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে ছবিযুক্ত সুষ্ঠু ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়। ২০০৮ সালে ইউএনডিপি’র অর্থায়নে, সেনাবাহিনীর সহায়তায় এবং আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণে এ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়, জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর প্রাথমিকভাবে পেপার-লেমিনেটেড সাধারণ জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হলেও সেবা প্রাপ্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের নানাবিধ ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখা দিলে বাংলাদেশের প্রকৃতি, জাতীয় প্রতীক ও প্রতিকৃতিসমূহকে সন্নিবেশিত করে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র নকল করা অসম্ভব। বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে এটি তৈরি হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ডাটাবেইজ ও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র এখন আমাদের জাতীয় সম্পদে পরিণত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নাগরিকদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং কাজে লাগানো, তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কাজে সময় বাঁচানো, তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয়ের তথ্যাদি যাচাই করার জন্য লিংক স্থাপন করা হয়েছে। প্রতি মুহূর্তেই তার সুফলও পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মজীবীদের বেতন নির্ধারণের কাজে সহায়তা করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগকে কমিশনের ডাটাবেইজে প্রবেশাধিকার দেয়া হয়। ডাটাবেইজে সংরক্ষিত পরিচয়ের তথ্যাদি ব্যবহার করে প্রজাতন্ত্রের চাকরিজীবীদের অনলাইনে বেতন নির্ধারণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেতন নির্ধারণের সুবিধার্থে প্রজাতন্ত্রের চাকরিজীবীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবা দেয়া হয়েছে। এ সময় সরকারি চাকরিজীবীদের বিপুলসংখ্যক আবেদন নিষ্পন্ন করে নুতন কিংবা সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র হস্তান্তর করা হয়।

এই কার্ডের নাগরিক সুবিধাপ্রপ্তি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের দ্রুততম সময়ে ব্যক্তির পরিচিতি জানা (পাসপোর্ট তৈরীর সুবিধার্থে), অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনায় সরকারি চাকরিজীবীদের তথ্য-উপাত্ত যাচাই, ডিজিটাল স্বাক্ষর গ্রহণের সময় ব্যক্তির পরিচিতি যাচাই, সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবন্ধী নাগরিকের তথ্য যাচাই এবং একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের কাজের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কেও ইতোমধ্যে ডাটাবেইজে প্রবেশাধিকার প্রদান করা হয়েছে।

ব্যক্তির নাগরিক পরিচয় সম্পর্কিত তথ্য জানা থাকলে প্রকৃত ব্যক্তি কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি, সন্ত্রাস, অর্থ-পাচারসহ নানা ধরনের অপরাধ প্রবণতা এতে করে কমবে ।’

এর মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ১২ কোটির বেশি মোবাইল সিমের রিরেজিস্ট্রেশন সম্ভবপর হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শুনে অবাক হবেন- ডাটাবেইজে সংরক্ষিত নাগরিকগণের বায়োমেট্রিকস তথ্যাদি যাচাইয়ের মাধ্যমে মাত্র ৪ মাসে ১২ কোটিরও বেশি সিম পুনর্নিবন্ধন করা হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ইন্টার-অপারেটিবিলিটি অর্থাৎ সহজ ও অবাধ তথ্য প্রবাহের মাধ্যমে ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনীর সুবিধাসমূহ তাদের হাতে পৌঁছে দেয়া এবং ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় জাতীয় পরিচয়পত্র ও সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত একটি ডাটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

১৮ বছর কম বয়েসিদের এই স্মার্ট পরিচয়পত্র প্রদানে সরকার উদ্যোগ নেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আঠারো কিংবা তার চেয়ে অধিক বয়সের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হচ্ছে। তবে যাদের বয়স আঠারো এর কম এবং যারা ভোটার হওয়ার যোগ্য নয় তাদেরকেও পরিচয় নিবন্ধন করে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, আঠারো বছরের কম বয়সী সকল নাগরিক, আদালত/ট্রাইবুন্যাল কর্তৃক দ-প্রাপ্ত ব্যক্তি, এমনকি মানসিক প্রতিবন্ধীদেরকেও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের সময় দশ আঙ্গুলের ছাপ ও বায়োমেট্রিক ফিচার হিসেবে চোখের কণীনিকা (ওৎরং) সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ডাটাবেইজ আরও সমৃদ্ধশালী হবে এবং অধিক নির্ভরযোগ্যতার সাথে পরিচয় যাচাই করে সেবা দেয়া যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র ও সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্তের সেবা ফি/চার্জ বাবদ আদায় করা হচ্ছে যা কর বহির্ভূত রাজস্ব আয়ে বিশেষ অবদান রাখবে।

শেখ হাসিনা এ সময় তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সোনার বাংলা গড়ে তোলায় সকলের সহযোগিতা কামনা করে এই স্মার্টকার্ড বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরো উজ্জ্বল করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।