ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৪২ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

"মোবাইলে কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা"
কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন, ফাইল ফটো

‘প্রাণভিক্ষার জন্য ৭ দিন সময় পাবেন কাসেম আলী’

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে প্রাণভিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ৭ দিন সময় দেয়া হবে। বুধবার আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন সাংবাদিকদের এই কথা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর রিভিউ খারিজের রায় প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ট্রাইব্যুনাল থেকে সেই রায়ের কপি কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছে গিয়েছে। চূড়ান্ত রায়ে রিভিউ খারিজের পর মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর সামনে এখন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাওয়া ছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই।
রিভিউ খারিজের সত্যায়িত অনুলিপি কারাগারে যাওয়ার পরে জেল কর্তৃপক্ষ ফাঁসি বহালের বিষয়টি তাকে অবহিত করার কথা। এরপরেই তাকে প্রাণ ভিক্ষা চাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হবে। যদি তিনি প্রাণ ভিক্ষা চান তাহলে সেটির ওপর রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত আসার পরই দণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে সরকার।
 বুধবার আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মীর কাসেম আলীকে প্রাণভিক্ষার জন্য যৌক্তিক সময় দেয়া হবে তবে সেটা ৭ দিনের বেশি নয়।
 এর আগে বুধবার কাশিমপুর কারাগারের জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক জানিয়েছেন, মীর কাসেমের পরিবারের ৯ জন সদস্য বেলা দেড়টার দিকে কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করে গেছেন। মীর কাসেমের স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন, দুই কন্যা সুমাইয়া রাবেয়া ও তাহেরা তাসনিম, দুই পুত্রবধূ ও পরিবারের তিন শিশু তার সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে আসেন।
 ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট মীর কাসেমের সঙ্গে কাটান তারা। কারাগার থেকে বের হয়ে মীর কাসেমের স্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, তাদের ছেলে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেমকে ১৫/২০ দিন আগে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে গেছে। এখন প্রাণভিক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ‘নিখোঁজ’ ছেলের সঙ্গে কথা বলতে চান কাসেম।