ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৪১ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করে আইসিটি পার্কগুলো গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পরিবেশ রক্ষা করে হাই-টেক পার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৯৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগের সময়ে বিনিয়োগ বোর্ডের ১২তম বৈঠকে কালিয়াকৈরে তিন’শো ৫৫ একর জায়গার ওপরে হাই-টেক পার্কের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
যশোরে সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক, ঢাকায় জনতা টাওয়ার সফটওয়ার টেকনোলজি পার্ক ও মহাখালী আইটি ভিলেজ, সিলেট ইলেকট্রনিক্স সিটি এবং রাজশাহীতে বরেন্দ্র সিলিকন সিটি স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে।
গোপালগঞ্জ, কুমিল্লা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকার কেরানী গঞ্জ, জামালপুর এবং নাটোরে আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
pm108
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বুধবার তার কার্যালয়ে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের বোর্ড অফ গভর্নরসের প্রথম বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
পরে, বৈঠকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান।
বৈঠকে হাই-টেক পার্কগুলো স্থাপনের কাজের অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।
কালিয়াকৈরের হাই-টেক পার্কটি সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব জানান।
এজন্য, সামিট টেকনোপলিসের লিমিটেডের সঙ্গে ২০১৫ সালের ২৮ জুন ২৩৪ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
৩৫৫ একর আয়তনের কালিয়াকৈরের এই পার্কের ২৩২ একরকে পাঁচটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে।
২০১৫ সালের ১৫ অক্টোবর এই পার্কের ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বলেন, ‘প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করে আইসিটি পার্কগুলো গড়ে তুলতে হবে।’
হাই-টেক পার্কগুলো প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশাপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই পার্কগুলোতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে এবং রফতানি বৃদ্ধি পাবে।’
হাই-টেক পার্কগুলোতে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা দেশেও রয়েছে বলে মতপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের হাই-টেক পার্কগুলোতে প্রায় দশ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবং পাঁচ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করতে পারবে বলেও শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন।