Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৪৯ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২২শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী

প্রধান বিচারপতির মন্তব্যে মীর কাসেমের আপিলের রায় নিয়ে শঙ্কা খাদ্যমন্ত্রীর

মীর কাসেমের আপিল বেঞ্চ পুনর্গঠন ও মামলার পুনরায় শুনানির দাবি জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে নতুন করে শুনানি হওয়া উচিত। প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে একটি বেঞ্চ হোক, সেই বেঞ্চে আপিলের শুনানি হোক।

শনিবার রাজধানীর ধানমণ্ডির বিলিয়া মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি জানান।
কামরুল ইসলাম বলেন, এই মামলার রায় কী হবে তা প্রধান বিচারপতির প্রকাশ্যে আদালতে বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আমি অনুধাবন করতে পেরেছি।  তার বক্তব্যের মধ্যে এটা অনুধাবন করেছি যে, এই মামলায় আর মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এরপরও যদি মীর কাসেমের মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়,তাহলে সবাই ভাববে, সরকার চাপ দিয়ে এই কাজ করিয়েছে। তিনি প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে আপিল বেঞ্চ পুনর্গঠন ও নতুন করে মীর কাসেম আলীর আপিল আবেদন শুনানি গ্রহণের দাবি জানান। 

কামরুল বলেন, প্রধান বিচারপতি প্রকাশ্য আদালতে কী বললেন? প্রসিকিউশন এই মামলা নিয়ে রাজনীতি করছে। জামায়াত যে অভিযোগ করেছে, বিএনপি যে অভিযোগ করেছে, তাদের আন্তর্জতিক লবিস্ট গ্রুপ যে সুরে কথা বলছে, একই সুরে কথা বলেছেন প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন তিনি (প্রধান বিচারপতি)। শুধু তাই নয়, এই বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের পাঁচ বছরের বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও হত্যা করা হয়েছে।
‘একাত্তরের গণহত্যাকারীদের বিচারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র: সরকার, বিচার বিভাগ ও নাগরিক সমাজের করণীয়’-শীর্ষক আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংবাদ সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মফিদুল হক, ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির শাহরিয়ার কবির, মুনতাসীর মামুন, শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, ফেরদৌসী প্রিভাষিণী।
সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব করেন।