Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:২৮ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

রুহুল কবির রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ফাইল ফটো

প্রধান বিচারপতির প্রতি কেন সরকারের ক্ষোভ?

বিচার বিভাগের প্রধান মানে একটি স্বাধীন সংস্থার প্রধান, একটি ইনস্টিটিউট। সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পর্যবেক্ষণে ক্ষুব্ধ সরকার তার যে হাল করেছে, এর মধ্য দিয়েই বিচার বিভাগের ওপর আঘাত করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সরকারের ক্রোধ ও ক্ষোভের শিকার।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শুক্রবার এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ সব কথা বলেন এবং প্রধান বিচারপতির প্রতি সরকারের ক্রোধ ও ক্ষোভের কারণ ব্যাখ্যা করেন।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমানের অপহরণের প্রতিবাদ ও সন্ধান দাবিতে ওই মানববন্ধনের আয়োজন করে কল্যাণ পার্টি।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বললেই গুম, অপহরণ ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হতে হবে।

বিরোধী দলের যেমন কথা বললে বেঁচে থাকার অধিকার নেই, গুম-খুন হত্যা হতে হয়, তেমনিভাবে সুপ্রিম কোর্টের কোনো পর্যবেক্ষণ যদি সরকারের বিপক্ষে যায়, তা হলে একই অবস্থার মধ্যে পড়তে হবে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধান বিচারপতি সরকারের ক্রোধ ও ক্ষোভের শিকার। এ ক্ষোভের কারণ হচ্ছে- তিনি সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে কেন সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেন?

সরকারের এ ক্ষোভের কারণে জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থলটি শেষ হয়ে গেলো। এখন যেটি হবে তা হল, প্রধান বিচারপতির ওপর একজন সুপ্রিম জাস্টিস হবেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বসে থাকবেন।

তিনি হবেন সবার ওপরে। কার বিচার হবে, কার শাস্তি হবে, সেই রায় হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এখনও চুপ করে থাকা বিচারপতিদেরও প্রধান বিচারপতির মতো পরিণতি হতে পারে।

কল্যাণপার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুত্ফর রহমান,বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া,লেবারপার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহিদী প্রমুখ।