ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৩০ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা জানাতে আসার উদ্দেশ্যই ছিল অপরাজনীতি ও কুটিল চাতুরি

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন। আপনাদের সহযোগিতা আমাদেরকে অনুপ্রানিত করবে।

 

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিহিংসার আগুন এতো লেলিহান যে, তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ও মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর সেক্টর কমান্ডার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর লাশ বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করতে দিলেন না।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হুকুমের আসামী করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে রিজভী একথা বলেন।
বিবৃতিতে রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে কোকোর মৃত্যু সংবাদে প্রধানমন্ত্রী গুলশান কার্যালয়ে এসে ফিরে যাওয়াতে নাকি অপমানবোধ করেছেন।
কিন্তু তার আসাকে বিএনপি ইতিবাচক হিসেবেই দেখেছে। সে জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। কিন্তু মনে হচ্ছে শোক জানানোর চেয়ে শেখ হাসিনার নোংরা রাজনীতিটাই মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সেটাই হাসিল করা হচ্ছে অত্যন্ত জোরেশোরে।
বিবৃতিতে রিজভী আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোকোর জানাজায় যাতে লোকসমাগম বেশী না হয় সেজন্য বিভিন্ন পাড়ামহল্লা, স্কুল, কুলেজ, মাদ্রাসাসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাদের সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী হুমকি দিয়েছে। সুতরাং কোকোর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা জানাতে আসার উদ্দেশ্যই ছিল অপরাজনীতি ও কুটিল চাতুরি। সরকারের এ হেন ঘৃণ্য মানসিকতায় তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানান।
তিনি বলেন, সারাদেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে আটক ও মিথ্যা মামলা দেওয়ার পরও তাদের জিঘাংসা প্রশমিত করতে পারছে না। গুম আর গুপ্তহত্যার হিড়িকে দেশজুড়ে কান্নার রোল উঠলেও সরকারের ক্রোধ যেন মিটছে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে গুলি করার নির্দেশ দিয়ে তাদেরকে নানা ধরনের অনাচার ও অবাধ হত্যা বাণিজ্যে লিপ্ত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, জনগণকে তোয়াক্কা না করে, ভুয়া নির্বাচন করে, আন্তর্জাতিক মহলে তুমুল বিতর্কিত নির্বাচন হিসেবে স্বীকৃত সেই প্রহসনের নির্বাচনের পর তার প্রধানমন্ত্রী হওয়াটা কী সম্মানজনক? দেশের তিনবারের আরেকজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখে গোলমরিচের গুঁড়া স্প্রে করাটা কী শেখ হাসিনার জন্য সম্মানজনক ছিল? ইট, বালি, কাঠের ট্রাক আর বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে গুলশান কার্যালয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে কী মান রক্ষা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর?