Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৭:১৭ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

‘প্রকৌশল শিল্পখাতে সহায়তা দেবে সরকার’ – শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশিয় হালকা প্রকৌশল শিল্পখাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বর্তমান সরকার সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেবে।

তিনি বলেন, ‘টেকসই শিল্পায়নের লক্ষ্যে সরকার যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে, সেগুলোতে শিল্প কারখানা পরিচালনার জন্য দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনবলের প্রয়োজন হবে। হালকা প্রকৌশল শিল্পখাতে বিশ^মানের প্রশিক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করে এ চাহিদা পূরণ করা হবে।’ এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বিটাকের আওতায় টুল ইন্সটিটিউট প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আজ রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র’(বিটাক)-এর টুল ইন্সটিটিউট প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত ‘উৎপাদনমুখী প্রকৌশলের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিটাকের মহাপরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. এনামুল হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ‘বিটাক টুল ইন্সটিটিউট’ প্রকল্পের পরিচালক ড. সৈয়দ মো. ইহসানুল করিম।

আলোচনায় অংশ নেন আহ্ছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম নূরুল আমিন, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় শিল্প মন্ত্রণালয় দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিল্প কারখানাগুলোকে সন্নিবেশিত করে শিল্পপার্ক গড়ে তুলছে।

তিনি বলেন, ‘ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় এপিআই শিল্পপার্ক স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, প্লাস্টিক, কেমিক্যাল ও মুদ্রণ শিল্পের জন্য আলাদা শিল্পনগরি স্থাপনের কাজ চলছে।’

তিনি শিল্প উন্নয়নে প্রকৌশল গ্রাজুয়েটদের কার্যকর অবদান নিশ্চিত করতে পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি শিল্প কারখানায় ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দেন।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বিশ্ববাজারে প্রায় ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের হালকা প্রকৌশল শিল্পপণ্যের চাহিদা থাকলেও এর বিপরীতে বাংলাদেশে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে এ খাতে ৪০ হাজার শিল্প কারখানা গড়ে ওঠেছে, যাতে ৮ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

তারা বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি হস্তান্তর, মাস্টার ট্রেইনার তৈরি এবং উদ্যোক্তাদের জন্য বিশ^মানের প্রশিক্ষণ সুবিধা বাড়িয়ে দেশের হালকা প্রকৌশল শিল্পখাতে মূল্য সংযোজনের পাশাপাশি ব্যাপকহারে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, হালকা প্রকৌশল শিল্পখাতে সনাতনী প্রযুক্তির পরিবর্তে সিএনসি(কম্পিউটারাইজ নিউমেরিক্যাল কন্ট্রোল) মেশিন প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।