ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:৩৩ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

প্রকৃত আয়কর ফাঁকি দেয়া চিকিৎসক, আইনজীবী ও প্রকৌশলীর তালিকা হচ্ছে

শীর্ষ মিডিয়া ১৪ অক্টোবর ঃ    কর ফাঁকি দেয়ার সন্দেহে সারাদেশে দেড় হাজারের অধিক চিকিৎসক, আইনজীবী ও প্রকৌশলীর তালিকা তৈরি করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এসব পেশাজীবীদের ব্যাংক হিসাব তলবের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল থেকে প্রত্যেকের আয়কর নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তাদের দৈনন্দিন আয় পর্যবেক্ষণ করে তারা কর ফাঁকি দিচ্ছেন কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে।
এনবিআর চেয়ারম্যানের নির্দেশে সন্দেহভাজন আয়কর ফাঁকি দেয়া পেশাজীবীদের তালিকা প্রস্তুত করতে শুরু করেছে কর কর্মকর্তারা। এনবিআর প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, সারাদেশে আয় গোপনকারী দেড় হাজারের বেশি পেশাজীবী রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন বলেন, ‘আমার   ধারণা পেশাজীবীদের কাছ থেকে আমরা ঠিকমতো আয়কর পাচ্ছি না। এ কারণে তারা কি দেন বা সঠিকভাবে দেন কি-না তা খতিয়ে দেখতে বলেছি।’
তিনি বলেন, আয় গোপন করা সন্দেহভাজন এসব কর্মকর্তাদের আয়-ব্যয় এবং কর প্রদানের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ জন্য সব কমিশনারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
গোলাম হোসেন বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি যে, সারাদেশে এক হাজার চিকিৎসক, ৫শ’ আইনজীবী এবং একশ’র মতো প্রকৌশলী ঠিকমতো কর দিচ্ছেন না।’
তিনি বলেন, ঢাকার বাইরেও অনেক চিকিৎসক, আইনজীবী ও প্রকৌশলী রয়েছেন যারা বড় অংকের কর ফাঁকি দিচ্ছেন। তাই কেবলমাত্র ঢাকায় নয়, সারাদেশে আয় গোপন করা পেশাজীবীদের খুঁজে বের করার নিদের্শ দেয়া হয়েছে। এসব পেশাজীবীদের কাছ থেকে বড় অংকের কর আদায় করা সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত, যেসব পেশাজীবীরা দিনে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা থেকে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেন-এমন পেশাজীবিদের দিকেই নজর বেশি এনবিআরের।
এনবিআর সূত্র জানায়, এমন অনেক পেশাজীবী আছেন যারা প্রকৃত আয় প্রদর্শন করে কর দিচ্ছেন। কিন্তু তাদের সংখ্যা হাতে গোণা। শতকরা ১০ ভাগের মতো পেশাজীবী বছরে ৩০ লাখ থেকে কোটি টাকা কর দেন। চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে, একটি হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান বা অধ্যাপক পর্যায়ের চিকিৎসক যে আয় ঘোষণা করে কর দেন অনেক ক্ষেত্রেই তার চেয়ে অনেক বেশি কর দিচ্ছেন একই বিভাগের জুনিয়র চিকিৎসক। সুত্রঃ বাসস