ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৪৫ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

পৌর নির্বাচন পরিচালনায় করণীয় নির্ধারণে আইনশৃংখলা নিয়ে বৈঠকে ইসি

দেশের ২৩৪ পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ও করণীয় নির্ধারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, আইনশৃংখলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিত আছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে এই শুরু হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচন সামনে রেখে পৌরসভাগুলোতে আইনশৃংখলা রক্ষার কৌশল নির্ধারণ করা নিয়ে এ বৈঠক হচ্ছে। নির্বাচনে আইনশৃংখলা রক্ষায় সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব নেই কমিশনের। তবে বাড়তি র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করে কীভাবে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা যায় সে বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে। বৈঠকের জন্য তৈরি করা ইসির কার্যপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচনে চার দিনের জন্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসার, র‌্যাব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোট গ্রহণের আগের দু’দিন, ভোট গ্রহণের দিন ও পরে একদিন মাঠে থাকবে। সাধারণ ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙখলা বাহিনীর ১৯ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে ৮ জন অস্ত্রধারীসহ মোট ২০ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। ওই চার দিনের জন্য মাঠে থাকবেন জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। এছাড়া ভোটের আগে পৌরসভাগুলোতে চিহ্নিত অপরাধী, চাঁদাবাজ, মাস্তান, অস্ত্রবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালবে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের মতে, ২০১১ সালের জানুয়ারিতে চার ধাপে আড়াই শতাধিক পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হয়। তখন র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও কোস্টগার্ডের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছিল। এবারের নির্বাচনে কমিশন থেকেই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের চাওয়া হচ্ছে না। তবে র‌্যাব ও বিজিবির সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসির কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্তত ২০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। পৌরসভাগুলোর নির্বাচনী এলাকার আকার এবং জনসংখ্যা বড় নয়। এসব বিবেচনায় পৌর নির্বাচনে সেনা ও নৌবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না। তবে বিএনপি জোট নির্বাচনের কোনো পর্যায়ে বয়কট করলে সহিংসতা হতে পারে বলে আশংকা তাদের।