ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৩০ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

পৌর নির্বাচনে ভোট প্রদান, গ্রহণ ও গণনা বিশ্বাসযোগ্য ছিল না: সুজন

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, এবার পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচনে ভোট প্রদান, গ্রহণ ও গণনা বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। সোমবার রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘পৌর নির্বাচন: কেমন মেয়র পেলাম’ শীর্ষক প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক একথা বলেন। সুজন সম্পাদক জানান, ২০০৮ সালের নবম সংসদ, পরবর্তীতে উপজেলা, সিটি ভোট সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছিল। ২০১১ সালের পৌর নির্বাচনের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের আরেকটি মানদন্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। দশম সংসদ নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ ও সিটি ভোটের নির্বাচন প্রক্রিয়ার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, পৌর নির্বাচনে সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। তা থেকে উত্তরণ ঘটেনি। দুর্ভাগ্যবশত ৩০ ডিসেম্বরের পৌর ভোট নিরপেক্ষতার বিচারে আগের নির্বাচনের ধারে কাছেও পৌঁছতে পারে নি। নির্বাচনে যেসব নেতিবাচক দিক দৃষ্টিগোচর হয়েছে, তা না শুধরালে ভবিষ্যতে গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়া ধ্বংস হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বদিউল আলম মজুমদার। অনুষ্ঠানে সুজন জানায়, নির্বাচিতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৭৩ জন, বিএনপির ১৩ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী উচ্চ শিক্ষিত । নব নির্বাচিতরা শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে গত পৌর নির্বাচনের তুলনায় মানোন্নয়ন ঘটেছে। গুণগত বিচারে সার্বিকভাবে ভালো প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার জানান, ২৩৩ নব নির্বাচিত মেয়রদের মধ্যে ৯৫ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৮১ জনের মধ্যে ৭৩ জন, বিএনপি’র ২৪ জনের মধ্যে ১৩ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭ জনের মধ্যে ৮ জন রয়েছে। জাতীয় পাটির একমাত্র বিজয়ী এসএসসি পাশ। সংবাদ সম্মেলনে সুজন সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান, কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার ও প্রকৌশলী মুসবাহ্ আলীম উপস্থিত ছিলেন।