Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:৫৪ ঢাকা, সোমবার  ১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

“পে-কমিশন নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নেই”

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, পে-কমিশন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নেই।
নতুন পে-কমিশন অনুমোদন উপলক্ষে আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীররা অর্থমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
মুহিত বলেন, ‘সরকারী চাকরিজীবীদের নি¤œ পদে কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা বেশি, উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তার সংখ্যা কম। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এটা উল্টো। সেখানে প্রফেসরদের সংখ্যা বেশি। কারণ তারা সবাই প্রফেসর হতে চায়। ইচ্ছামত পদোন্নতি হয়।’ তিনি শিক্ষকদের নিয়ম বহির্ভূতভাবে পদোন্নতিদান কমানোর পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টি সরকারের দেখভাল করা উচিত। আমি মনে করি ২০ লাখ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদোন্নতির বিষয়টি যদি সরকার দেখভাল করতে পারে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয় দেখা সম্ভব নয় কেন। সব মিলিয়ে তাদের সংখ্যা এক লাখও হবে না।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন পে-কমিশনের কারনে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ঘুষ কারবার কমে আসবে। তিনি বলেন, দুর্নীতি হওয়ার পেছনে একটা বড় কারণ ছিলো স্বল্প বেতন। অনেকে অভাবের কারনে বাধ্য হয়ে ঘুষ নিতো। এটা এখন কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
চলতি অর্থবছরে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কারনে অতিরিক্ত ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এতে মূল্যস্ফীতি হবে কিনা জানতে চাইলে মুহিত বলেন, বাজারে নতুন পে-স্কেলের কোন প্রভাব পড়বে না, বরং মূল্যস্ফীতি কমতে থাকবে। কারন অভ্যন্তরীণভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যাদি উৎপাদন বাড়ছে, তাই মুল্যস্ফীতি বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি বলেন, নতুন বেতন স্কেলে আগের পে-স্কেলগুলোর তুলনায় বেশি বেতন বাড়ানো হয়েছে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে সরকার তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে।
মুহিত বলেন, এবারে যে পে-কমিশন করা হয়েছে, এটা স্থায়ী পে-কমিশন। আগামীতে আর কোন পে-কমিশন করা হবে না। এই পে-কমিশনের ওপর ভিত্তি করেই আগামীতে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হবে।