Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:২৩ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

এনবিআর

পেপারলেস প্রতিষ্ঠানে উন্নীত হবে এনবিআর : আজাদ

ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) পেপারলেস প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি মনে করেন সেবাদানকারী একক বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান হিসেবে এনবিআরকে পেপারলেস করা গেলে সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে একই অবস্থানে আনা সম্ভব হবে।

রোববার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে এনবিআর আয়োজিত নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

মেলায় এনবিআর ও সঞ্চয় অধিরদফতরের ১১টি উদ্ভাবননী উদ্যোগকে প্রদর্শন করা হয়।এর মধ্যে আয়কর বিভাগের ৫টি,শুল্ক বিভাগের ৩ ও মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) ২টি এবং সঞ্চয় অধিদফতরের একটি উদ্যোগ রয়েছে।

আবুল কালাম আজাদ এনবিআর চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্যকে করে বলেন, কর কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে পেপারলেস এনবিআর করতে একটি সময় নির্ধারণ করুন। আপনি যে সময় নির্ধারণ করবেন, যে পরিকল্পনা করবেন, আমরা অন্যান্য অফিসের জন্যও সেই সময় নির্ধারণ করবো। একক বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান হিসেবে এনবিআরকে যত দ্রুত পেপারলেস করা যাবে সরকার ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তত দ্রুত এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতি ছাড়া আর্থিক খাতকে দুর্নীতি মুক্ত করা সম্ভব নয়। এনবিআর যে ১১টি ডিজিটাল পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে, সেই ১১ টি সেবাকে একটি অ্যাপ বা একই ছাতার নিচে নিয়ে আসা উচিত। ওই উদ্ভাবনকে শুধুমাত্র একটি অফিসের মধ্যে সীমাবন্ধ না রেখে সকল অফিসকে এই সেবার আওতায় আনতে হবে।ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সেবাকে দ্রুত ও সহজ করা যাবে। এটা না হলে নতুন বিনিয়োগ আনা কঠিন।

অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূইয়া বলেন, আমরা পেপারলেস অফিসের অগ্রযাত্রা যত দ্রুত এগিয়ে নিতে পারবে অন্যান্য অফিসও তত দ্রুত শুরু করতে পারবে। আজ আমাদের কর্মচারীরা উদ্বুদ্ধ হয়েছে। সবচেয়ে বৃহৎ জনবল নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমরা ভাল কিছু শুরু করলে অন্যান্য অফিস দ্রুত সেটা গ্রহণ করবে।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আর্থিক খাতকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে
ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা জরুরী। ডিজিটাল পদ্ধতিতে রাজস্ব আদায় করলে রাজস্ব আয় দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে এনবিআরের সদস্য (আয়কর) এবং সংস্থার প্রধান উদ্ভাবনী কর্মকর্তা কানন কুমার রায় ডিজিটাল ১১ উদ্যোগের সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আয়কর, শুল্ক ও ভ্যাটের উদ্যোগগুলের ফলে করদাতা মোবাইল অ্যাপ অথবা ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সহজে রিটার্ন জমা থেকে শুরু করে অনলাইনে কর পরিশোধ করতে পারবেন। দ্রুত ও সাশ্রয়ী খরচে করসেবা পাবেন।