ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৪৯ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘পেটব্যথা’

গরমের দিনে খাবার সামান্য এদিক-ওদিক হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়। এ সময় বাইরের বা রেস্তোরাঁর খাবারে দ্রুত পচন ধরে, জীবাণুর বংশবৃদ্ধি হয় সহজে এবং পানি ও খাদ্যবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ে।

বাইরের কোনো খাবার খাওয়ার এক থেকে দুই দিনের মধ্যে পেটব্যথা এবং পেটে অস্বস্তির পাশাপাশি বমি ভাব, বমি বা পাতলা পায়খানা শুরু হলে বুঝতে হবে ওই খাবারে কোনো সমস্যা ছিল। সাধারণত সালমোনেলা, ই. কোলাই বা নরোভাইরাসের মতো রোগজীবাণুর মাধ্যমে দূষিত হলেই খাবারের কারণে অসুস্থতা দেখা দিতে পারে কিংবা খাবারে বিষক্রিয়া (ফুড পয়জনিং) হতে পারে। এর সঙ্গে জ্বর, দুর্বলতা, অরুচি, মাংসপেশিতে ব্যথা ইত্যাদিও থাকতে পারে। এ রকম অবস্থা সাধারণত কয়েক দিনে সেরে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মুখে খাবার স্যালাইন, হালকা সহজপাচ্য খাবার এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামই এ সমস্যার চিকিৎসা। জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যায়। সমস্যা বেশি হলে অ্যান্টিবায়োটিক লাগতে পারে।

তবে পেটব্যথা সব সময় যে বদহজম বা ফুড পয়জনিংয়ের জন্য হয়, তা নয়। নানা কারণে পেটব্যথা হতে পারে। যেমন, নাভির কাছ থেকে ব্যথা পেটের ডান দিকে নিচে স্থিতু হলে অ্যাপেন্ডিসাইটিস কি না দেখতে হবে। পিত্তথলির প্রদাহের কারণে পেটের ডান দিকে ব্যথা এবং বমি ও জ্বর হতে পারে। যকৃতের সমস্যায়ও পেটব্যথা হয়। পেপটিক আলসারে পেটব্যথা, বুকজ্বালা ও বমি হতে পারে। তাই পেটে সমস্যা হলেই খাবারকে দায়ী করা যায় না। পেটব্যথা প্রচণ্ড এবং সঙ্গে শারীরিক অন্যান্য সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই ভালো। প্রথম আলো

ডা. আ ফ ম হেলাল উদ্দিন  

মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ