ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:০১ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

পেঁয়াজ আমদানিতে ঋণের সুদ ১১ শতাংশ নির্ধারন

পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ঋণের সুদের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর দেয়া ঋণের সুদ হার ১১ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ার প্রভাব স্থানীয় বাজারেও পড়েছে। এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে দেশীয় বাজারে পেঁয়াজের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে আমদানি পর্যায়ে ঋণের সুদের সর্বোচ্চ হার নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পেঁয়াজের আমদানি ঋণপত্রের (এলসি) মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রাজধানীতে পেঁয়াজের আড়ত শ্যামবাজারে বুধবার দেশি পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে । সোমবার এই পেঁয়াজের দাম ছিল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। শ্যামবাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে খুব কম। ভারত সরকার দ্বিতীয় দফায় মূল্যবৃদ্ধির পর আমদানি প্রায় বন্ধ। মজুত পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে পাইকারি বাজারে কেজিতে ১৫ টাকা দাম কমলেও খুচরা বাজারে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোনো প্রভাব পড়েনি। খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য একটি জাতীয় দৈনিকে দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে টিসিবি। দরপত্রের মাধ্যমে ২০০ টন পেঁয়াজ আমদানির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পাবার পর সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে টিসিবি। টিসিবির চেয়ারম্যান এ কে এম ইকবাল জানান, কোরবানির ঈদের আগ পর্যন্ত খোলাবাজারে ট্রাকে করে পেঁয়াজ বিক্রি কার্যক্রম চলবে। এর সঙ্গে ভোজ্যতেল ও চিনি বিক্রি করা হবে।