Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১১:৫২ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ফাইল ফটো

পুলিশের অপরাধের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না- তাহলে মানুষ কার কাছে যাবেন?

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী বলেছেন, আইনশৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এমন আচরণ করছেন, জনগণের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছেন, তাতে গোটা দেশের মানুষ অস্থির হয়ে উঠেছে।  তিনি বলেন, দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পুলিশের আচরণে মানুষ আতংকিত। তারপরও পুলিশ প্রধান বলছেন তাদের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না। তাহলে নির্যাতিত মানুষ কার কাছে যাবেন?
 
মঙ্গলবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সম্মেলন উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, অনৈতিকভাবে নির্বাচিত সরকার দেশ ও জনগণের ওপর চেপে বসেছে। এ সরকার নির্বাচিত সরকার নয়, তারপরও দেশের জনগণের ওপর আইনকানুন ও শাসন চাপিয়ে দিচ্ছে। তাতে দেশের জনগণের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণতন্ত্র হত্যা করেছে। বাক স্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। মিডিয়াকে ন্যাক্কারজনকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে লিখতে পারছে না। কেউ লিখতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সাংবাদিকদের অধিকার খর্ব করা হয়েছে। সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি জেকে বসেছে।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ও সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বলছেন তিনি নাকি প্রধান বিচারপতিকেই মানেন না। চরম দলীয়করণের কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। কোন জায়গায় শৃংখলা নেই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। এ থেকে মানুষ পরিত্রাণ চায়, বাঁচতে চায়।

এসময় গণতন্ত্র রক্ষা ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, দেশে ন্যায় পরায়ণ শাসন কায়েম করতে বিএনপিকে আজ সুসংগঠিত করতে হবে।

ঝিনাইদহ শহরের প্রিয়া সিনেমা হলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে জেলার ছয় উপজেলার শত শত নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেছেন।

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তৃতা করেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মো. শাহজাহান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা নিতাই রায় চৌধুরী, জাসাস সাধারণ সম্পাদক মনির খান, সাবেক এমপি শহিদুজ্জামান বেল্টু, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, হরিণাকুন্ডু বিএনপির সভাপতি এড এম এ মজিদ, বিএনপি নেতা জাহিদুজ্জামান মনা, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, এড মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, এড আব্দুল আলীম, আরিফুল ইসলাম আনন প্রমুখ।