ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:১৬ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

“পুলিশি ‘হয়রানি’ বন্ধে পুলিশকে থামান”- বুদ্ধিস্ট নেতা অসীম

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে পুলিশি অভিযানে হয়রানির অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা।

বুধবার বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যা ও জঙ্গিবাদ নিয়ে উৎকণ্ঠা দূরে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় করে ১৪ দল। মতবিনিময় সভায় বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সভাপতি অসীম রঞ্জন বড়ুয়া এ অভিযোগ করে বলেছেন, পুলিশি ‘হয়রানি’ বন্ধে পুলিশকে থামান। তিনি বলেন, এখানে অনেকে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। আমি বলব, আমরা আসলেই ভীত। সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যায় যেমন আমরা ভীত, তেমনি সাঁড়াশি অভিযানের নামে পুলিশের নির্যাতনেও আমরা ভীত। গত দেড় বছরে দেশে ধারাবাহিকভাবে অধ্যাপক, মুক্তমনা লেখক, ব্লগার, বৌদ্ধ ভিক্ষু, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, হিন্দু পুরোহিত, খ্রিস্টান যাজক ও ভিন্ন মতাবলম্বী মুসলিম খুন হওয়ার প্রেক্ষাপটে জঙ্গি দমনে এক সপ্তাহের ‘সাঁড়াশি’ অভিযান চালায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

ওই অভিযানের প্রথম চার দিনে ১১ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তারের কথা জানালেও পুরো অভিযানে কতোজনকে ধরা হয়েছে তা প্রকাশ করেনি পুলিশ। এই অভিযানের সময়ে তাদের দুই জনকে গ্রেপ্তারের পর মুক্তির জন্য টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন অসীম রঞ্জন বড়ুয়া। তিনি আরো বলেন, কয়েক দিন আগে আমাদের সংগঠনের দুই জনকে পুলিশ ধরে নিয়ে এক লক্ষ টাকা দাবি করে। পরে সংগঠনের নেতারা ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছাড়িয়ে এনেছে।

পুলিশি ‘হয়রানি’ বন্ধে ১৪ দল নেতাদের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের বলছি, পুলিশকে থামান। তার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিন, আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সভায় অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, জাসদের একাংশের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ওয়াজেদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের হিওবাট গোমেজ,বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অশোক বড়ুয়া ও খ্রিষ্টান সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রলয় বাপ্পীসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।