Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:০০ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২০শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

পিয়াস করিমের মরদেহ শহীদ মিনারে নেয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে তার পরিবার

উনাকে  মর্যাদা   দেওয়ার জন্যেই শহীদ মিনারে নেওয়ার কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু মর্যাদা যদি ঠিকভাবে দেওয়া না হয়, সমস্যা- আফটার অল সুবিধার জন্যে আর নিতে চাচ্ছি না।উনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরআন শরিফ পড়ে দাফন করতে চাচ্ছি ।  তিনি জানান শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের হিমঘর থেকে পিয়াসের মরদেহ ধানমন্ডির বাসায় আনা হবে। আত্মীয় স্বজন দেখার পর মরদেহ শ্রদ্ধা জানানোর জন্যে বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে রাখা হবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গণে।
জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমে পিয়াস করিমের জানাযা শেষে বনানী কবস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানান তার ভাই। শহীদ মিনারটা কখনোই আমাদের পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত ছিল না, উনার কিছু শুভাকাঙ্খীর অনুরোধে আবেদন করেছিলাম। এ নিয়ে এতো আলোচনা-সমালোচনা হবে বুঝতে পারিনি। পরে যখন দেখলাম এ নিয়ে এতো কথাবার্তা, তখন সরে আসলাম।
 
বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে বিদেশে অবস্থারত স্বজনরা দেশে পৌঁছাবেন বলেই আশা করছেন লোটাস করিম।  ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিয়াস করিম সোমবার মারা যান। তিনি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন । গণজাগরণ আন্দোলন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার বক্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করে। এজন্য গণজাগরণ আন্দোলনকারীরা ‘যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের’ ব্যক্তি হিসেবে তার মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়ার বিরোধিতা করে।
পিয়াস করিমের লাশ বুধবার শহীদ মিনারে রাখার কথা বলা হলে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে; বিভিন্ন ছাত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠন তা প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়।  এরই মধ্যে মরদেহ শহীদ মিনারে রাখতে প্রয়াতের স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমেনা মহসীন স্বাক্ষরিত একটি আবেদন মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।  পিয়াস করিমের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার দিনব্যাপী শোক দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি, যার মধ্যে সেদিন সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পিয়াস করিমের প্রতি ‘শেষ শ্রদ্ধা’ জানানোর কথাও বলা হয়।