ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৭:৫৮ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

পিরোজপুরে মৃত্যুদণ্ড

পিরোজপুরে হত্যার অভিযোগে ৭জনের যাবজ্জীবন-৩জনের মৃত্যুদণ্ড

পিরোজপুর সদরের কালিকাঠি গ্রামে ২০১২ সালে ফিরোজ মাঝি (২২) নামে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অস্থায়ী কর্মচারী ফিরোজকে হত্যার অভিযোগে তিনজনের ফাঁসি ও সাতজনের যাবজ্জীবনের আদেশ দিয়েছে পিরোজপুরের একটি আদালত।

আজ দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম জিল্লুর রহমান এ আদেশ দেন। আদালত যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৪ মার্চ রাতে ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওঁৎ পেতে থাকা রেজাউলসহ ১২-১৪ জন যুবক ফিরোজকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে চলে যায়। ফলে ফিরোজের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ রেজাউলসহ চার জনকে আটক করে। পরের দিন নিহত ফিরোজের মা নাছিমা বেগম বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় ১০ জন নামীয় এবং আরও ৪/৫ জন অজ্ঞাতকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আদালত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য প্রমাণাদি যাচাই শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ১০ জন সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ৮ জন উপস্থিত ছিলেন।

ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন- কালিকাঠি গ্রামের আমীর আলী খানের ছেলে রেজাউল খাঁন, মৃত আব্দুল লতিফ মোল্লার ছেলে শাহিনুর রহমান মোল্লা ওরফে শানু এবং হাকিম বেপারীর ছেলে মিজান বেপারী।

এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন- ওই একই গ্রামের রেজাউলের মা রেকসনা, হালিম আকনের ছেলে নিজাম আকন, আনছার উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, মোজাম্মেল হোসেন শেখের ছেলে ওমর ফারুক মিঠু , হাবিবুর রহমান মাতুব্বরের ছেলে মামুন মাতুব্বর, হাকিম তালুকদারের ছেলে লিমন তালুকদার এবং সেলিমের ছেলে রাসেল।