Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:৩১ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২০শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহমর্মিতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করুনঃ প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার প্রত্যাশা, ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, কর্তব্যপরায়ণতা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি শৃংখলা বজায় রেখে আপনারা স্বীয় কর্তব্য সম্পাদনে একনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন।’
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ঢাকা সেনানিবাসে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে জেনারেলস কনফারেন্সে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে এ আহ্বান জানান।
সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়া। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর জেনারেলদের সাথে মতবিনিময় করেন ।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া, সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেনেন্ট জেনারেল মইনুল হোসেইন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার আবু বেলাল মুহাম্মাদ সাইফুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, প্রতিরক্ষা সচিব কাজী হাবিবুল আওয়াল ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ও উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যাত্রা শুরু হয়। সেনাবাহিনীকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আত্মপ্রত্যয়ী এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গত দুই মেয়াদে তাঁর সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছে।
তিনি বলেন, সরকারের এই দৃঢ় ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে সেনাবাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা দেশ ও বহির্বিশ্বে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে তাঁর সরকারের সেনাবাহিনীর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে বিভিন্ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিগত মেয়াদে অনেকগুলো ইউনিট গঠন, প্রশিক্ষণের মান যুগোপযোগী করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং পদাতিক কোরের উন্নয়ন ও এর কাজের গতিশীলতায় নতুন করে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার সেনাবাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বিশ্বাসী এবং সেই অভিষ্ঠ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা সেনাবাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০’র বাস্তবায়ন অনেক দূর এগিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সাংগঠনিক কাঠামোতে আধুনিক অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যোগাযোগ সরঞ্জামাদি অন্তর্ভুক্ত করেছি, যা সামগ্রিকভাবে আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনীর সমরশক্তি ও চলাচল ক্ষমতাকে অনেকগুণে বৃদ্ধি করেছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। জালালাবাদ সেনানিবাসে ১৭ পদাতিক ডিভিশন গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, পর্যায়ক্রমে আগামী ৫ বছরে নবগঠিত ১৭ পদাতিক ডিভিশনের অর্গানোগ্রামে আরও ৩০ টি নতুন ইউনিট প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রস্তাাবিত পদ্মা সেতুর আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং নিরাপত্তার জন্য নবগঠিত ৯৯ ক¤েপাজিট ব্রিগেড পূর্ণদ্যোমে দায়িত্ব পালন করছে।’
শেখ হাসিনা সরকারের তৃতীয় মেয়াদে সেনাবাহিনীর উন্নয়নে গৃহিত কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ইতোমধ্যে রামুতে ১০ পদাতিক ডিভিশন এবং এর অধীন ১টি আর্টিলারি ব্রিগেড, ১টি পদাতিক ব্রিগেড, ১টি আর্টিলারি ইউনিট এবং ২টি পদাতিক ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেনাবাহিনীতে আরও কার্যক্ষম ও যুপোপযোগী প্রচুর অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযোজিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মেইন ব্যাটেল ট্যাংক, সেল্ফ প্রোপেল্ড গান সিস্টেম, উইপন লোকেটিং র‌্যাডার, এন্টি ট্যাংক গাইডেড উইপন, আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার ইত্যাদি। এই অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি সংযোজনের ফলে সেনাবাহিনীর কার্যক্ষমতা, যুদ্ধের সামর্থ্য এবং সেনাসদস্যদের মনোবল বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া রাশিয়ান ফেডারেশনের ১ বিলিয়ন ডলার সামরিক ঋণ প্রোটোকলের মাধ্যমে ৬টি এম আই -১৭১ হেলিকপ্টার, ৩৩০টি এ পি সি এবং ১০টি আর্মার্ড রিকভারী ভেহিকেল ক্রয়ের চুক্তি হয়েছে। এর প্রথম চালান ২০১৬’র শেষ নাগাদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বহরে যুক্ত হবে। এ সঙ্গে ১৭৪টি টি-৫৯ ট্যাংকের উন্নীতকরণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, ফায়ার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষে ইতোমধ্যে এক ব্যাটারী এম এল আর এস ক্রয় করা হয়েছে এবং আরও দু’টি এম এল আর এস ব্যাটারী ২০১৫ সালের মধ্যে সেনাবাহিনীতে সংযোজনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর ১টি পূর্ণাঙ্গ এম এল আর এস রেজিমেন্ট সাভার সেনানিবাসে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। এছাড়াও ২০১৬ সালের মধ্যে দুইটি এফ এম- ৯০, সারফেস টু এয়ার মিশাইল রেজিমেন্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সংযোজিত হবে। এর ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিজস্ব সমর শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আরও পেশাগত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করবে।

সেনাবাহিনীকে স্বনির্ভর করতে মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী ও সমরাস্ত্র কারখানার সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং বিএমটিএফ এ সেনাবাহিনীর জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক এবং যুগোপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে সমরাস্ত্র কারখানা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অত্যাধুনিক বিমান বিধ্বংসী মিসাইল এফএন-১৬ তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা খুব শিগগির বাস্তবে রূপ নেবে।
সেনাবাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এ কথা উল্লেখ তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ এলাকা সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে চর কেরিতে ১০ হাজার একর জমি দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।
সেনাবাহিনীর সকল পদবীর সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে সরকারের গৃহীত উদ্যোগ সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে অফিসার, জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সৈনিকদের জন্য বাসস্থান ও মেস, সৈনিকদের জন্য এসএম ব্যারাক এবং সেনাসদরের জন্য মাল্টিপারপাস হল ও কনফারেন্স হল নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণাধীন উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমিতে ১ হাজার ২০০ ক্যাডেটের জন্য ডরমিটরী, ইবিআরসি, বিআইআরসি এবং এনসিও’স একাডেমি ভবন।
তিনি বলেন, দুস্থদের আবাসনের জন্য সেনাবাহিনীর উদ্যোগে রংপুরে শান্তিনিবাস (ওল্ড হোম) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর অফিসারদের জন্য জলসিড়ি আবাসন প্রকল্পের কাজও উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে ৬ হাজার ৬৫টি প্লট হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পিলখানার বিডিআর বিদ্রোহে শহীদ অফিসারদের পরিবারবর্গের প্রত্যেককে জলসিড়ি আবাসন প্রকল্পে একটি করে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৪৮টি শহীদ পরিবারকে বিভিন্ন ডিওএইচএস-এ আরো একটি করে প্ল¬ট এবং ১০টি পরিবারকে মিরপুর ডিওএইচএস-এ দুটি করে ফ্ল্যাট দেয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ উন্নত পেশাগত দক্ষতার স্বাক্ষরের মাধ্যমে দেশের সুনাম বৃদ্ধির জন্য সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষীর সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের স্থান প্রথম। বর্তমানে প্রায় ৯ হাজার ৫৯৩ জন শান্তিরক্ষী বিশ্বের ১০টি দেশে মিশনে অংশগ্রহণ করছে।
বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে সেনাবাহিনী জনগণের আস্থা অর্জন করেছে এ কথা উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের জাতীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা জাতি আরও ব্যাপকভাবে প্রত্যক্ষ করবে।
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকারের গত দুই মেয়াদে সেনাবাহিনীর অফিসার, জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সৈনিকদের প্রশিক্ষণের অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। ‘কঠিন প্রশিক্ষণ, সহজ যুদ্ধ’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা ও আধুনিকতা আনতে তিনি বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমিতে ক্যাডেটদের ২ বছরের পরিবর্তে ৩ বছরের প্রশিক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছেন, যা ২০১৫-এর জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই সেনাবাহিনীর ৫টি ফরমেশনে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের আদলে ৫টি মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। কুমিল্লা, কাদিরাবাদ এবং সৈয়দপুরে তিনটি মিলিটারী ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এবং সাভার ও জালালাবাদ সেনানিবাসে দুটি ‘আর্মি স্কুল অব বিজনেস এন্ড এ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ গঠিত হয়েছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনীতে আরও ৫টি ডেল্টাল কলেজ এবং ৫টি নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর ফলে চিকিৎসা ও কারিগরি শিক্ষার মানও বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আধুনিক সরঞ্জামাদি স্থাপন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতি নিরসনে সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন বিষয়ে ইতোমধ্যে ৭০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সরাসরি মেজর পদে অন্তর্ভূক্ত এবং ঢাকা সিএমএইচ-কে একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। আর্মি ডেন্টাল কোর-কে আলাদা কোরে পরিণত করার কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী পারিপার্শ্বিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে সেনাবাহিনীর পেশকৃত বেতন কাঠামো যতদুর সম্ভব বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী তাঁর সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০০০ সালে সর্বপ্রথম সেনাবাহিনীতে মহিলা অফিসার নিয়োগ দেয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় আর্মি মেডিকেল কোরে প্রথমবারের মত ৮৭৮ জন মহিলা সৈনিক সফল প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর ‘পাস আউট’করেছে ।
গতবছর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ‘লাখো কন্ঠে সোনার বাংলা’ অনুষ্ঠানে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৭ জন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এক সাথে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে গীনেজ বুক অব রেকর্ডসে স্থান করে নেয়ার মহান কৃতিত্বের জন্য সাধারণ জনগণের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পেশাগত উৎকর্ষের জন্য বহু কাক্সিক্ষত এবং প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ তদারকিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বভার ইতোমধ্যেই সেনাবাহিনীর উপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
সরকারের গত দুই মেয়াদে সেনাবাহিনীর অবকাঠামো খাতে যুগান্তকারী উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির এই অধুনিক যুগে সেনাবাহিনীকে আরও ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে এবং তাঁর সরকারের তৃতীয় মেয়াদেও সেনাবাহিনীর অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর আরও আধুনিকায়নের জন্য যা যা প্রয়োজন তা দিতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।