ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:২০ ঢাকা, বুধবার  ১৭ই জানুয়ারি ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

“পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দাবি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সরকার”

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমস্যা সমধান শিগগিরই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সরকার তাদের দাবির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার মিন্টো রোডের নিজ বাসায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। পৃথক বেতন কাঠামো ও পদমর্যাদা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে একটি কমিটিও করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পে-স্কেল ঘোষণার পর প্রথম কর্মবিরতি পালিত হয় ৮ সেপ্টেম্বর। ওই দিনই অর্থমন্ত্রী শিক্ষকদের কর্মবিরতি ও অধ্যাপকদের পদোন্নতি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। এতে ওইদিন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। ফলে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলে। এই অবস্থায় ১০ সেপ্টেম্বর শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন বৈঠকে বসে। ওই দিন তারা আজ ও ১৭ সেপ্টেম্বর পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এ দুদিন ক্লাস বন্ধ থাকলেও পরীক্ষা আওতামুক্ত থাকে।
এর আগে আন্দোলনে সমর্থন আদায়ের জন্য ফেডারেশন ৫ সেপ্টেম্বর ভিসিদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সঙ্গে বৈঠক করে। ভিসিরা ফেডারেশনের কর্মসূচি সমর্থন করেছেন বলে ওই দিনই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। ওই দিনের ঘোষণা অনুযায়ী ১০ সেপ্টেম্বর সংবাদপত্রের সম্পাদক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমাবেশ কর্মসূচি ছিল। কিন্তু ৭ সেপ্টেম্বর পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দুটি কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। ফেডারেশনের মহাসচিব জানান, অনুমোদিত পে-স্কেলের দলিল পর্যালোচনা শেষে প্রস্তুতিসহ তারা সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।